ঢাকাকে হারিয়ে শ্বাসরুদ্ধকর জয় সিলেটের

ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর জয় পেল সিলেট টাইটান্স। আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ৬ রানের ব্যবধানে জিতেছে স্বাগতিকরা। শামীম পাটোয়ারি অবশ্য শেষ বল পর্যন্ত স্বস্তিতে থাকতে দেননি সিলেটকে। ৪৩ বলে ৯টি চার এবং তিনটি ছক্কায় ৮১ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ শেষ করেন তিনি।

তিন ম্যাচে এটি সিলেটের দ্বিতীয় জয়। এই জয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে দলটি। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৭৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই বিপদে পড়ে ঢাকার ব্যাটাররা। তৃতীয় ওভারে জিয়া আকবরিকে (১) বোল্ড করেন আমির। তারপর ঢাকার হাল ধরতে ব্যর্থ হন উসমান খান ও সাইফ হাসান। তবে ১৫ বলে ২১ রানের বেশি করতে পারেননি উসমান। তাকে বোল্ড করে ফেরান নাসুম আহমেদ। এরপর বোলিংয়ে এসেই সাইফ হাসানকে ক্যাচ বানিয়ে আউট করেন ওমরজাই। ওমরজাইয়ের বলেই শূন্য রানে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ঢাকার অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন।

তারপর মেহেদী হাসান মিরাজ এলবিডব্লিউ করে ফেরান চার বলে পাঁচ রান করা নাসির হোসেনকে। এর ফলে ৪৩ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ফেলে ঢাকা। ১৩তম ওভার পর্যন্ত প্রতিরোধ গড়েছিলেন সাব্বির রহমান এবং শামীম হোসেন। নাসুমের টসড আপ ডেলিভারিতে লং অনে হাঁকাতে গিয়ে মুঠোবন্দী হন সাব্বির। ১৬ ওভারের মধ্যে ফিরে যান ইমাদ ওয়াসিমও (৮)। একদিক আগলে রেখে ৩২ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন শামীম।

এর আগে পারভেজ হোসেন ইমন এবং ওমরজাইয়ের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২০ ওভারে চার উইকেটে ১৭৩ রান তোলে সিলেট। ১১ রানে রনি তালুকদার ফিরলে সিলেটের ওপেনিং জুটি ভাঙে। দ্রুত রান তোলার মিশন নিয়ে তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে সাত বলে ছয় রান করেন মিরাজ। ২২ রানে দুই উইকেট পড়ার পর চাপে পড়ে সিলেট। সেই চাপ কাটিয়ে তোলেন ওপেনার সাইম আইয়ুব এবং পারভেজ হোসেন ইমন। সাইম ৩৪ বলে ২৯ রানে ফেরেন। ইমন করেন ৩২ বলে ৪৪ রান।

আফিফ হোসেন এ দিন সুবিধা করতে পারেননি। বোল্ড হওয়ার আগে ১১ বলে ১৩ রান করেন তিনি। শেষদিকে ওমরজাইয়ের ২৪ বলে অপরাজিত ৫০ এবং ইথান ব্রুকসের ছয় বলে ১৩ রানের অপরাজিত ইনিংসে লড়াকু সংগ্রহ গড়ে সিলেট।

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.