লালবাগের পোস্তায় কোরবানির পশুর চামড়া বেচাকেনা শুরু

পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজের পর পশু কোরবানি দেন মুসল্লিরা। এরপর পশুর শরীর থেকে চামড়া আলাদা করা হয়। সেই চামড়া মৌসুমি ব্যবসায়ীরা কিনে পোস্তায় বিক্রি করেন। দুপুরে পর থেকে লালবাগের পোস্তায় কোরবানির পশুর চামড়া বেচাকেনা শুরু হয়েছে।

ব্যবসায়ী ও পোস্তার আড়তদাররা‌ জানান, দুপুর ১২টার পর রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কাঁচা চামড়া ট্রাক-ভ্যানে করে পোস্তায় নিয়ে আসছেন মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। ‌তারা বিভিন্ন এলাকা থেকে চামড়া সংগ্রহ করে লালবাগের পোস্তায় নিয়ে আসছেন। আড়তদাররা তাদের কাছ থেকে দুপুরের পর থেকেই চামড়া কেনা শুরু করেছেন।

সোমবার (১৭ জুন) বেলা ১টার পর থেকেই ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে কোরবানির চামড়া আসতে থাকে।

আড়তদারদের হাঁকডাকে সরব হয়ে উঠে লালবাগের শায়েস্তা খান, রাজনারায়ণ ধর রোডসহ আশপাশের বিভিন্ন সড়ক। পাইকারি ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন এলাকার মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চামড়া সংগ্রহ শুরু করেছেন। তবে পশু কোরবানি এখনো পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় পোস্তায় এখনো পুরোদমে শুরু হয়নি কাঁচা চামড়ার বেচাকেনা। রাতের দিকে পুরোদমে চামড়া কেনাবেচা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

পোস্তার মোড়ে আড়তের ম্যানেজার শফিক আহমেদ বলেন, দুপুর‌ ১২ টার পর থেকে মূলত চামড়া আসা শুরু হয়েছে। তবে মূল বেচা বিক্রি হবে রাতে। গভীর রাত পর্যন্ত চামড়া সংগ্রহ করা হবে। এখানে চামড়া সংগ্রহের পর প্রথমে লবণজাত করা হবে। পরে তারা সাভারের ট্যানারিগুলোতে পাঠিয়ে দেবেন। তবে দেশের সবচেয়ে বড় কাঁচা চামড়ার আড়তে গতবারের মতো এবারও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী চামড়া সংগ্রহ হবে না বলে আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিএইচএসএমএ) মহাসচিব টিপু সুলতান বলেন, চামড়া আসতে শুরু করেছে। আড়তের মালিকদের চামড়া কিনতে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। মৌসুমি ব্যবসায়ীরা চামড়া যত তাড়াতাড়ি আমাদের কাছে আনবেন তত ভালো।

আড়তদার জানান, চলতি বছর সরকার রাজধানীতে লবণযুক্ত চামড়া ৫০ থেকে ৫৫ টাকা বর্গফুট নির্ধারণ করেছে। এখন যেসব চামড়া আসছে সেটা লবণ ছাড়া, সেজন্য এ চামড়ার দাম প্রতি ফুট লবণযুক্ত চামড়া থেকে কম দামে কিনতে হচ্ছে।

অর্থসূচক/

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.