মাহমুদউল্লাহকে ভুলভাবে আউট দেয়া হয়েছিল, দাবি ওয়াসিমের

ইনিংসের ১৭তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ওটনিয়েল বার্টম্যানের করা ফুলার লেংথের ডেলিভারিতে খানিকটা আড়াআড়িভাবে গিয়ে ফ্লিক করতে চেয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ব্যাটে-বলে না হওয়ায় লেগ বিফোর উইকেটের জন্য আবেদন করেছিলেন বোলার ও ফিল্ডাররা। অনফিল্ড আম্পায়ার স্যাম নাগোস্কি সাড়া দিয়ে আঙুল তুলে আউট দিয়ে দেন। তাওহীদ হৃদয়ের সঙ্গে কথা বলে শেষ পর্যন্ত রিভিউ নিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। টিভি রিপ্লেতে দেখা যায় বল লেগ স্টাম্প মিস করে যেতো। যার ফলে বাধ্য হয়েই সিদ্ধান্ত পাল্টাতে হয় আম্পায়ারকে। মাহমুদউল্লাহও বেঁচে যান রিভিউ নিয়ে।

যদিও তার আগে বল বাংলাদেশের এই ব্যাটারের প্যাডে লেগে বাউন্ডারি পেরিয়ে যায়। কিন্তু আম্পায়ার আউট দেয়ায় তখন সেটি ডেডবল হিসেবে গণ্য হয়েছে। যে কারণে রিভিউ নিয়ে বেঁচে যাওয়ার পরও সেই চার রান পায়নি বাংলাদেশ। সেই রানই অবশ্য শেষ পর্যন্ত ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। সাউথ আফ্রিকার করা ১১৩ রান তাড়া করতে নেমে শেষ পর্যন্ত ১০৯ রানে থামে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। শেষ ওভারে ১১ রানের সমীকরণ মেলাতে না পারায় হারতে হয়েছে ৪ রানেই।

নিজের ‘এক্স’ অ্যাকাউন্টে ভারতের সাবেক ব্যাটার ওয়াসিম জাফর বলেন, ‘মাহমুদউল্লাহকে ভুলভাবে লেগ বিফোর উইকেট আউট দেয়া হয়েছে। লেগ বাই হয়ে বলটা চার হয়েছিল। ডিআরএসে সিদ্ধান্ত বদলে গেছে। কিন্তু বাংলাদেশ চার রান পায়নি কারণ একবার যখন ব্যাটার আউট দেয়া হয় তখন বল ডেড হয়। যদি এটা ভুলভাবেও হয়। এবং সাউথ আফ্রিকা শেষ পর্যন্ত ৪ রানে জিতেছে। বাংলাদেশের জন্য খারাপ লাগছে।’

মাহমুদউল্লাহর পাশাপাশি হৃদয়ও ভুল সিদ্ধান্তের শিকার হয়েছেন। কাগিসো রাবাদার বল ব্যাটে করতে না পারায় তা আঘাত হানে ডানহাতি এই ব্যাটারের প্যাডে। আবেদন করতেই আউট দিয়ে দেন আম্পায়ার। রিভিউ নিলেও শেষ পর্যন্ত আম্পায়ার্স কলের কারণে ফিরে যেতে হয়েছে হৃদয়। ম্যাচ শেষে তাই আম্পায়ারিং নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

হৃদয় বলেন, ‘সত্যি বলতে আমাদের জন্য ওইটা ভালো সিদ্ধান্ত ছিল না। শ্বাসরুদ্ধকর একটা ম্যাচ ছিল। আমার দিক থেকে যদি বলি তাহলে আমাদের খুব কঠিন। সেই চারটা রান হয়ত ম্যাচের পরিস্থিতি বদলে দিতো। ওইটা নিয়ে আমার আর কিছু বলার নেই।’

অর্থসূচক/এএইচআর

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.