রাফায় বিমান হামলায় নিহত ৫০: নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ঘনবসতিপূর্ণ রাফাহ শহরে ইসরাইলের বিমান হামলায় ৫০ জন নিহতের ঘটনায় নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে। আলজেরিয়া এই বৈঠক ডাকার অনুরোধ করেছিল। তাদের সমর্থন করে স্লোভেনিয়া।

কূটনীতিকরা জানিয়েছেন, এই বৈঠক রুদ্ধদ্বার হবে। জরুরি ভিত্তিতে এই বৈঠক ডাকা হয়েছে।

রাফায় ইসরায়েলের বিমান হামলার পর গাজার স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে, ৪৫ জন মারা গেছেন এবং প্রচুর মানুষ আহত হয়েছেন। যারা রাফায় আশ্রয় নিয়েছিলেন তাদের শিবির আক্রান্ত হয়।

জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল গুতেরেস এই বিমান হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘যে নিরপরাধ বেসামরিক মানুষরা সেখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন, তাদের উপর ইসরায়েলের এই কাজের নিন্দা করছি। গাজায় কোনো নিরাপদ জায়গা নেই। এই আতঙ্ক শেষ হওয়া উচিত।’

জাতিসংঘের মানবাধিকার সংক্রান্ত হাই কমিশনার ভলকের তুর্ক বলেছেন, ‘ওই শিবির আক্রান্ত হওয়ার পর যে ছবি সামনে এসেছে, তা ভয়ংকর। ইসরায়েল যেভাবে যুদ্ধ করছে, তাতে প্রচুর মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। রোববারের বিমান হামলা একটা জিনিস বুঝিয়ে দিয়েছে, গাজায় কোনো নিরাপদ জায়গা নেই।’

তিনি জানিয়েছেন, ‘আমি্ ইসরায়েলের প্রতি আবেদন জানাচ্ছি, তারা যেন আইসিজে-র নির্দেশ মেনে রাফায় আক্রমণ বন্ধ করে। দুই পক্ষের অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা উচিত’।

গত রবিবার ইসরাইলের সেনারা এমন একটি এলাকায় বেশ কয়েকটি ভারী এবং শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে যেখানে এক লাখেরও বেশি বেশি ফিলিস্তিনি শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছে। এই হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত এবং আরো ডজন খানেক আহত হয়।

গত শুক্রবার ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অফ জাস্টিস বা আইসিজে এই নির্দেশ দিয়েছে। সূত্র: ডিডাব্লিউ, এপি, এএফপি, রয়টার্স

অর্থসূচক/এএইচআর

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.