আজিজ আহমেদের ওপর নিষেধাজ্ঞা সকলের জন্য একটি বার্তা: টিআইবি

সীমাহীন দুর্নীতি ও ক্ষমতার মারাত্মক অপপ্রয়োগের অভিযোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক প্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এর প্রধান নির্বাহী ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, এ ঘটনা প্রমাণ করে বাংলাদেশের মানবাধিকারের পাশাপাশি দুর্নীতির বিষয়টিও তারা খুব গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। এটি সকলের জন্যই একটি বার্তা।

মঙ্গলবার (২১ মে) ঢাকায় একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন টিআইবির প্রধান নির্বাহী।

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আমাদের র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর ওই দেশটির ঊর্ধ্বতন অনেক কর্মকর্তাই বাংলাদেশ সফরে এসেছে। তাদের প্রতিটি সফরেই বাংলাদেশের মানবাধিকারের পাশাপাশি দুর্নীতির প্রসঙ্গটি বেশ জোরালো ভাবে তুলে ধরেছেন। এটা (আজিজ আহমেদের ওপর নিষেধাজ্ঞা) তারই একটি ধারাবাহিকতা।

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখা জরুরি উল্লেখ করে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অবশ্যই পর্যাপ্ত তথ্য উপাত্ত নিয়েই এ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলে এ ঘটনাটি এখন আলোচ্য বিষয় হয়েছে। এতে দেশের ভাবমূর্তি ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন হবে। নিষেধাজ্ঞায় যে বাহিনীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেই বাহিনীও এখন বিব্রতকর অবস্থায় পড়বে।

এক প্রশ্নের জবাবে টিআইবির প্রধান নির্বাহী বলেন, আজিজ আহমেদ একাই যে দুর্নীতি করেছেন, বিষয়টি এমন নয়। তার সঙ্গে আরও সহযোগী রয়েছে বলে এ সংক্রান্ত বিবৃতিটিতেই উল্লেখ রয়েছে। সেখানে বাহিনীর কথা বলা হয়েছে। কাজেই তার সঙ্গে আরও যারা এ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত তাদেরও আইনের আওতায় আনা জরুরি।

অর্থসূচক/এমএস

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.