শান্তর অধিনায়কত্ব ভাতা বাড়লো

আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পাওয়ার পর শ্রীলঙ্কা সিরিজ ছিল নাজমুল হোসেন শান্তর প্রথম বড় পরীক্ষা। যদিও এই পরীক্ষায় পুরোপুরি পাশ করতে পারেননি বাংলাদেশের এই তিন ফরম্যাটের অধিনায়ক। টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারলেও ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল শান্তবাহিনী। তবে এসব সাফল্য-ব্যর্থতার মাঝেও সুখবর পেলেন বাংলাদেশের এই নতুন অধিনায়ক।

চুক্তি অনুযায়ী বেতন, ম্যাচ ফি’র বাইরে অধিনায়কদের জন্য থাকে আলাদা ভাতা। এতদিন ধরে সেই ভাতা ছিল ৪০ হাজার টাকা। কিন্তু এখন সেটা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১ লাখ টাকা। শতাংশের হিসেবে প্রায় ১৫০ শতাংশ বেড়েছে। শুধু অধিনায়ক নয়, বেড়েছে সহ-অধিনায়কের ভাতাও। ২০ হাজার থেকে বাড়িয়ে সেটি করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এখন কোনো সহ-অধিনায়ক নেই।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বোর্ড মিটিংয়ে অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়কের ভাতা বাড়ানোর একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। প্রস্তাবনা অনুযায়ী টাকার অঙ্ক অনুমোদিত হয় বোর্ড সভায়। বিসিবির নিয়মনুযায়ী একাধিক সংস্করণে দায়িত্ব পালন করলেও একজন অধিনায়কের ভাতা শুধু একটি বিবেচিত হবে। সেই হিসেবে তিন ফরম্যাটে আলাদা আলাদা অধিনায়ক হলেও তিনজনই ১ লাখ টাকা করে ভাতা পাবে, আবার একজন দায়িত্ব পালন করলেও ১ লাখ টাকা হবে ভাতা। ২০২৪ সালের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে শান্ত তিন সংস্করণে আছেন এ+ ক্যাটাগরিতে।

এই হিসেব অনুযায়ী বেতন-ভাতা থেকে আয়ের দিক থেকে সাকিব আল হাসানকেও ছড়িয়ে গেছেন তিনি। তিন সংস্করণ মিলিয়ে শান্তর বেতন ৭ লাখ ৯০ হাজার, সঙ্গে যোগ হবে অধিনায়ক ভাতা ১ লাখ টাকা। সবমিলিয়ে বেতন-ভাতা থেকে তার আয় ৮ লাখ ৯০ হাজার। এবার ক্রিকেটারদের বেতন না বাড়ানো হলেও বেড়েছে ম্যাচ ফি। সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা বেড়েছে ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণ টেস্টে, ১ লাখ টাকা বেড়েছে ওয়ানডেতে আর সবচেয়ে কম ৫০ হাজার টাকা বেড়েছে টি-টোয়েন্টি সংস্করণে।

টেস্টে এর আগে ছিল ৬ লাখ টাকা, সেটি এখন বেড়ে হয়েছে ৮ লাখ টাকা, ওয়ানডেতে ছিল ৩ লাখ টাকা, বেড়ে হয়েছে ৪ লাখ টাকা আর টি-টোয়েন্টিতে ২ লাখ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

অর্থসূচক/এএইচআর

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.