নেতৃত্ব হারিয়ে বাবরকে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি আফ্রিদির

২০২৩ সালে ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে প্রত্যাশিত ফল পায়নি পাকিস্তান। সেরা চারে উঠতে না পারার পর খানিকটা জোর করেই নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয় বাবরকে। সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটারদের একজন হিসেবে বিবেচিত বাবর দায়িত্ব ছাড়ার পর পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক করা হয় আফ্রিদিকে।

লাহোর কালান্দার্সকে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) শিরোপা জেতানো বড় ভূমিকা রেখেছিল বাঁহাতি এই পেসারের অধিনায়ক হওয়ার ক্ষেত্রে। দায়িত্ব পাওয়ার পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে নেতৃত্ব দিয়েছেন আফ্রিদি। যেখানে মাত্র একটি ম্যাচে জিততে পেরেছে পাকিস্তান। চারটিতেই হেরেছে।

কদিন আগে শেষ হওয়া পিএসএলে লাহোরকেও সেমিফাইনালে তুলতে পারেননি আফ্রিদি। যার ফলে নেতৃত্ব হারিয়েছেন তিনি। নিউজিল্যান্ডে ব্যর্থতার পর টিম ডিরেক্টর মোহাম্মদ হাফিজকে সরিয়ে দেয় পিসিবি। এবার পিসিবির নতুন চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির পছন্দেই নেতৃত্ব ফিরে পেলেন বাবর।

নেতৃত্ব ফিরে পেয়ে বাবর বলেছেন, ‘আমাদের সম্মিলিত লক্ষ্য হলো এই দলকে বিশ্বসেরা বানানো। একজন অধিনায়ক হিসেবে আমি সবসময় ওর (শাহিন আফ্রিদির) মতামতকে মূল্যায়ন করেছি। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে এবারও আমি ওর পরামর্শ নিব। ম্যাচ চলাকালীন আমাদের অবশ্যই কৌশলগত বোঝাপড়া ঠিক রাখতে হবে।’

একইসঙ্গে আফ্রিদিও বাবরকে পূর্ণ সমর্থন দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ‘দলের খেলোয়াড় হিসেবে অধিনায়ক বাবর আজমকে সমর্থন জানানো আমাদের কর্তব্য। আমি তাঁর নেতৃত্বে খেলেছি এবং তাঁর প্রতি আমার শ্রদ্ধাবোধ রয়েছে। মাঠ এবং মাঠের বাইরে আমি তাঁকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করব। আমরা সবাই এক। আমাদের লক্ষ্যও একটাই, পাকিস্তানকে বিশ্বের সেরা দল বানানো।’

আফ্রিদিকে টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দিলেও টেস্টে বহাল থাকছেন শান মাসুদ। বাবর পদত্যাগ করার পর পাকিস্তানের টেস্ট অধিনায়ক করা হয় বাঁহাতি এই ব্যাটারকে। শান মাসুদের অধীনে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেললেও একেবারেই সুবিধা করতে পারেনি পাকিস্তান। তিন ম্যাচেই হেরেছে দলটি। যদিও মাসুদের উপর আস্থা রাখতে চাইছে পিসিবি।

অর্থসূচক/এএইচআর

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.