সহজ জয়ে সিরিজ ভারতের

জয়ের জন্য ভারতের প্রয়োজন ছিলো মাত্র ১৫২ রান। অন্যদিকে সমতায় ফিরতে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ১০ উইকেট। তবে রাঁচির উইকেট স্বপ্ন দেখচ্ছিল সফরকারীদের। যেখানে ম্যাচের দ্বিতীয় দিন থেকেই উইকেটে স্পিন ধরা শুরু করেছিল।

এদিন রোহিত শর্মা ও ইয়াশভি জায়সাওয়ালের ৮৪ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর, দলটির মিডল অর্ডারে ফাটল ধরান ইংলিশ স্পিনার শোয়েব বশির। ফলে জয়ের আশা জাগে দলটির। কিন্তু শুভমান গিল ও ধ্রুব জুরেলের ব্যাটে পাঁচ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌছে যায় ভারত। ফলে এক ম্যাচে হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে স্বাগতিকরা।

এর আগে রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও কুলদীপ যাদব গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের ব্যাটিং অর্ডার। ইংল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪৫ রানে অল আউট হলে জয়ের জন্য ১৯২ রানের লক্ষ্যে পায় ভারত। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮ ওভার ব্যাটিং ৪০ রান তুলে দিন শেষ করেন রোহিত ও জায়সাওয়াল। চতুর্থ দিনও তাদের ব্যাটে করে জয়ের দিকে এগোতে থাকে ভারত। এ সময় নিজের হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন অধিনায়ক রোহিত। কিন্তু তাদের ৮৪ রানের জুটি ভাঙেন জো রুট।

এই স্পিনারের বলে এক্সট্রা কাভারে জিমি অ্যান্ডারসনের কাছে ক্যাচ তুলে দেন ৩৭ রান করা জায়সাওয়াল। এরপর ৫৫ রান করা রোহিতকে ফেরান টম হার্টলি। তার বলে উইকেট থেকে বের হয়ে সামনে এসে খেলার চেষ্টা করেন রোহিত। কিন্তু ব্যাটে বলে না হওয়ায় স্টাম্প ভাঙেন উইকেটরক্ষক বেন ফোকস। এরপর ২০ রানের মধ্যে আরো ৩ উইকেট হারায় ভারত। এরপর বাকি কাজটা করেছেন গিল ও জুরেল। তাদের ব্যাটে ভর করেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ভারত।

এই ম্যাচে ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে মাত্র একটি উইকেট পেয়েছিলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি একাই ইংলিশদের ধসিয়ে দিয়েছেন। ৫১ রানের বিনিময়ে নিয়েছেন ৫ উইকেট। আর তাতেই ইংল্যান্ডের ইনিংস গুটিয়ে গেছে মাত্র ১৪৫ রানে। ফলে এই ম্যাচের জয়ের স্বপ্ন দেখার সুযোগ পায় ভারত। অশ্বিন জানিয়েছেন বোলিংয়ের সময় হাঁটুতে অস্বস্তি হচ্ছে তার। এ কারণে বোলিং করার আগে তাকে বিশেষভাবে খেয়ালও রাখতে হচ্ছে। অবশ্য এই অস্বস্তি জয় করে ৫ উইকেট নিতে পেরে দারুণ আনন্দিত তিনি।

অশ্বিনের ক্যারম বলই মূলত ম্যাচের গতিপথ অনেকটাই বদলে দিয়েছে। অশ্বিন চেয়েছিলেন লাইন লেন্থ বজায় রেখে বল করতে। যাতে করে ইংলিশদের অল্প রানেই বেধে রাখা যায়। আর এই পরিকল্পনাতেই সফল হয়েছেন তিনি। বিশেষ করে চতুর্থ ইনিংসে রান তাড়া করায় ঝুঁকি নিতে চাননি তারা।

অর্থসূচক/এএইচআর

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.