মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এলেন আরও ৬৩ জন

মিয়ানমারের বিভিন্ন প্রান্তে দেশটির সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহীদের মধ্যে তীব্র লড়াই হচ্ছে। এর মধ্যে জান্তা সরকার একাধিক ঘাঁটি হারিয়েছে। তার মধ্যে বাংলাদেশের বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে ওপারে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহী আরাকান আর্মির মধ্যে চলমান সংঘর্ষের জেরে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন ৩২৭ জন।

এদিকে রাখাইন রাজ্যে সংঘাতময় পরিস্থিতিতে কক্সবাজারের টেকনাফ হোয়াইক্যং সীমান্ত দিয়ে বুধবার দুপুরের দিকে ৬৩ জন বিজিপি সদস্য বাংলাদেশে ঢুকেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, সীমান্ত দিয়ে যেসব বিজিপি সদস্য ঢুকেছে তাদের হোয়াইক্যং সীমান্ত ফাঁড়িতে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।

গত সোমবার দুপুরে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউপির চার নম্বর ওয়ার্ডের জলপাইতলি এলাকায় মিয়ানমারের সীমান্ত থেকে আসা মর্টার শেলের আঘাতে বান্দরবানে দুইজন নিহত হন। গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করা মিয়ানমারের সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই চালিয়ে আসছে আরাকান আর্মিসহ কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠী।

 

অর্থসূচক/এএইচআর

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.