সুনীল অর্থনীতির অপার সম্ভাবনা

বাংলাদেশের ব্লু ইকোনমি বা সুনীল অর্থনীতির অপার সম্ভাবনা রয়েছে। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে প্রণীত নীতিগত সিদ্ধান্ত ও মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজর দেয়া প্রয়োজন।

মঙ্গলবার কক্সবাজারের একটি হোটেলে এক কর্মশালায় বিশেষজ্ঞরা এসব কথা বলেন। ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) সরকারের সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সংস্থার সহযোগিতায় এই কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাইকার বিশেষজ্ঞ মো. শফিকুর ইসলাম।

উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ইআরএফ সভাপতি রেফায়েতুল্লাহ মির্ধা এবং সঞ্চালনা করেন ইআরএফের সহ-সাধারণ সম্পাদক মিজামুর রহমান।

কর্মশালায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইআরএফের সাবেক সভাপতি শারমিন রিনভী, সাইফুল ইসলাম দিলাল, সাধারণ সম্পাদক এসএম রশিদুল ইসলাম, মো। নুরুল ইসলাম খান, আবদুর রহিম হারামাছি প্রমুখ।

পরিবেশগত সমস্যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিশেষজ্ঞরা সমুদ্র তীরবর্তী এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে এবং পর্যটকদের প্লাস্টিক উপাদান ও অন্যান্য বর্জ্য নিক্ষেপ থেকে বিরত রাখার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি আইন প্রণয়নের মাধ্যমে তা নিশ্চিত করতে বলেছেন।

সমুদ্র সম্পদের সম্ভাবনার বর্ণনা দিয়ে প্রধান বক্তা বলেন, ব্লু ইকোনমি সম্ভাবনাকে বাস্তবে কাজে লাগানোর জন্য একটি ব্যাপক পরিকল্পনা এবং এর কঠোর বাস্তবায়ন আবশ্যক। সামুদ্রিক মাছ সংরক্ষণ, তাজা ও বিষমুক্ত রাখতে জাইকাকে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বর্তমান ফিশারিজ এনহ্যান্সমেন্ট অ্যান্ড লাইভলিহুড প্রজেক্ট (এফইএলপি) শুটকি মাছ বা শুটকির উন্নত উৎপাদনের জন্য কাজ করছে।

বক্তারা বলেন, মালয়েশিয়া থেকে মিন অনুসন্ধানী জাহাজ আসলে আমাদের সমুদ্রের মৎস্যসম্পদ কি পরিমাণ আছে তা জরিপ করা সম্ভব হবে। সমুদ্র অর্থনীতিকে কার্যকর ও ফলপ্রসু করতে হলে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবে। কিন্তু এই ক্ষেত্রে সরকারের তেমন কোনো উদ্যোগ নেই।

অর্থসূচক/এমএস

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.