পশ্চিমা ‘ইডিয়টেরা’ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বাধাতে চায়: সাবেক রুশ প্রেসিডেন্ট

কিছু ‘আহাম্মক’ পাশ্চাত্যের নেতৃস্থানীয় পোস্টগুলো দখল করে থাকায় ইউক্রেন যুদ্ধ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে রূপ নিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ।

রোববার নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে তিনি লিখেছেন, ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোতে ‘উচ্চপদস্থ আহাম্মকের’ সংখ্যা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে।

ইউক্রেন যুদ্ধ সম্পর্কে ব্রিটিশ ও জার্মান সরকারের পক্ষ থেকে শনিবার দেয়া আলাদা আলাদা বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে একথা বলেন রাশিয়ার প্রভাবশালী নিরাপত্তা পরিষদের উপ-প্রধান মেদভেদেভ। তিনি নবনিযুক্ত ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী গ্রান্ট শ্যাপসকে ‘নির্বোধদের দলে নতুন সংযোজন’ বলে অভিহিত করেন। শ্যাপস শনিবার বলেছিলেন, তিনি ইউক্রেনের সেনাদের প্রশিক্ষণ দিতে ব্রিটিশ সেনাদের কিয়েভে পাঠাবেন।

দিমিত্রি মেদভেদেভ সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যদি ইউক্রেনে ব্রিটিশ সেনা পাঠানো হয় তাহলে তাদেরকে ‘বৈধ টার্গেটে’ পরিণত করবে রাশিয়া। তিনি বলেন, রাশিয়া ব্রিটিশ সেনাদেরকে ইউক্রেনের ভাড়াটে সেনা হিসেবে নয় বরং ন্যাটোর ব্রিটিশ সেনা হিসেবে গণ্য করে হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করবে।

সাবেক রুশ প্রেসিডেন্ট মেদভেদেভ জার্মান পার্লামেন্টের প্রতিরক্ষা কমিটির প্রধান মেরি জিমেরম্যানকে ‘আরেকটি ভাঁড়’ বলে অভিহিত করেন। জিমেরম্যান শনিবার ইউক্রেনকে দূরপাল্লার ‘টরাস’ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করার জন্য বার্লিনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন।

ইউক্রেনকে এই ক্ষেপণাস্ত্র দেয়া হলে কিয়েভ সেগুলো দিয়ে রাশিয়ার গভীর অভ্যন্তরে হামলা চালাতে পারবে। জিমেরম্যান বলেছিলেন, টরাস ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইউক্রেন রাশিয়ায় হামলা চালালে তা হবে আন্তর্জাতিক আইনে সম্পূর্ণ বৈধ।

এর জবাবে মেদভেদেভ বলেন, এটি ঘটলে রাশিয়া জার্মানির সেইসব কারখানায় হামলা চালাবে যেগুলোতে টরাস ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি হয় এবং তাও হবে আন্তর্জাতিক আইনে সম্পূর্ণ বৈধ। সাবেক রুশ প্রেসিডেন্ট তার টেলিগ্রাম পোস্টটি যে বাক্য দিয়ে শেষ করেন তা হচ্ছে- যাই হোক, এসব গর্দভ কার্যকরভাবে আমাদেরকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে চায়। পার্সটুডে

অর্থসূচক/এএইচআর

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.