তিন মাসের ডলার বুকিংয়ে দাম ১১৩ টাকা ৮৫ পয়সা

আমদানিকারকেরা সর্বোচ্চ তিন মাসের জন্য ডলারের অগ্রিম বুকিং দিতে পারবেন। আমদানি ডলারের বর্তমান দাম ১১০ টাকা ৫০ পয়সা। অগ্রিম বুকিংয়ের ক্ষেত্রে ডলারের দাম পড়বে ১১৩ টাকা ৮৫ পয়সা।

মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলারে এ তথ্য জানিয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, তিন মাসের জন্য ডলারের ভবিষ্যৎ দাম নির্ধারণ করবে ব্যাংকগুলো। আর কোনো আমদানিকারক যদি তিন মাসের কম সময়ের জন্য ডলার বুকিং দিলে আনুপাতিক হারে ডলারের দাম নির্ধারণ হবে।

এর আগে রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক ডলারের ফরওয়ার্ড রেট নির্ধারণে নতুন নিয়ম চালু করে। তাতে বেঁধে দেওয়া হয় ডলারের দামের সর্বোচ্চ হার। সেই নিয়মে এক বছর পর ব্যাংক ডলারের দাম বর্তমানের চেয়ে স্মার্ট হারের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পর্যন্ত বেশি নিতে পারবে। যে পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে এখন ঋণের সুদহার নির্ধারিত হচ্ছে, সেটি পরিচিত স্মার্ট বা সিক্স মান্থস মুভিং অ্যাভারেজ রেট অব ট্রেজারি বিল হিসেবে।

প্রতি মাসের শুরুতে এই হার জানিয়ে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। জুলাইয়ে স্মার্ট রেট ছিল ৭ দশমিক ১০ শতাংশ। আগস্টে তা বেড়ে হয়েছে ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ, যা চলতি সেপ্টেম্বরেও অপরিবর্তিত রয়েছে।

ডলার ক্রয় ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ দাম নির্ধারণ করা যায়। তাই চাইলে কোনো আমদানিকারক এখনই ডলার কিনে রেখে পরে পণ্য আমদানি করতে পারেন। এ জন্য তাঁকে ডলারের বর্তমান দামের সঙ্গে বাড়তি কমিশন দিতে হয়। এ ক্ষেত্রে দাম কমে গেলেও আমদানিকারককে বর্তমান দামই দিতে হবে। আবার দাম বেড়ে গেলে তিনি সুবিধা পাবেন; অর্থাৎ বাড়তি দাম দিতে হবে না।

আমদানিকারকের মতো রপ্তানিকারকেরাও ডলারের ফরোয়ার্ড সেল বা অগ্রিম বিক্রি করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে ডলারের দাম বেড়ে গেলে ওই রপ্তানিকারককে লোকসান গুনতে হবে।

অর্থসূচক/এমএইচ/এমএস

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.