ব্যক্তি পর্যায়ে উৎকর্ষ অর্জনের আহ্বান ইউজিসি চেয়ারম্যানের

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর বলেছেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে ব্যক্তি পর্যায়ে কর্মে ও ব্যবহারে উৎকর্ষ অর্জন করতে হবে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সেবা প্রদানের মানসিকতা নিয়ে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

প্রফেসর আলমগীর বলেন, সরকার বিভিন্ন উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিয়েছে। দেশ ও প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে হলে ব্যক্তি পর্যায় থেকেই পরিবর্তন আনতে হবে। এজন্য মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে সবার আগে। নিজ নিজ কাজ ঠিকঠাক ভাবে করতে হবে। কোন কাজকেই ছোট করে দেখা যাবে না। প্রতিষ্ঠানকে মন থেকে ধারণ করতে হবে। তাহলে ব্যক্তির দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে, দাপ্তরিক কাজে পরিবর্তন আসবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে লক্ষ্য অর্জন করতে হবে।

কমিশনের ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শুদ্ধাচার সংক্রান্ত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ইউজিসি অডিটরিয়ামে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। ইউজিসি সচিব ড. ফেরেদৌস জামান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

প্রফেসর মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে শিক্ষা, গবেষণা ও মুক্তচিন্তা চর্চার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে ১৯৭৩ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে স্বায়ত্তশাসন প্রদান এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দেখভাল করার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইউজিসি প্রতিষ্ঠা করেন। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় বঙ্গবন্ধুর আকাঙ্ক্ষা পূরণে ইউজিসি কাজ করে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে গুণগত শিক্ষা ও গবেষণার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কমিশনের সুনাম ক্ষুণ্ন হয় এমন সব কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে চাহিত সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান।

ড. ফেরেদৌস জামান বলেন, স্ব-স্ব কাজ সম্পাদনের ক্ষেত্রে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। রাষ্ট্রীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারলে শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।

কমিশনের উপসচিব ও জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলের ফোকাল পয়েন্ট মো. আসাদুজ্জামানের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে রিসোর্সপার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গবেষণা সহায়তা ও প্রকাশনা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মো. শাহীন সিরাজ। প্রশিক্ষণে ইউজিসি’র ৯৬ জন কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন।

 

অর্থসূচক/ এইচএআই

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.