সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণ: ফায়ার সার্ভিসের ৫ কর্মী নিহত

সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের পাঁচ জন কর্মী নিহত হয়েছেন। রোববার (৫ জুন) ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে জানিয়েছেন, আগুন নেভাতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচ কর্মী নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন ২১ জন। আহতরা সিএমএইচে চিকিৎসাধীন। কয়েকজন কর্মীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

ওদিকে শনিবার রাত ১০টায় লাগা আগুন দীর্ঘ ১৪ ঘণ্টায়ও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। জ্বলছে একের এক কন্টেইনার। আগুন নিয়ন্ত্রণে ডাকা হয়েছে সেনাবাহিনীকে। ফায়ার সার্ভিস ও র‌্যাব পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যরা যোগ দিয়েছেন।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, ‘সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ৩৩ জনের লাশ এসেছে। লাশগুলো হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে। সকাল ৯টার পর যে লাশগুলো আনা হয়েছে, সেগুলো চেনার উপায় নেই। পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ টেস্ট করা লাগতে পারে।’

উল্লেখ্য, শনিবার রাত ১০টার দিকে সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণের পরই ডিপোতে থাকা আমদানি ও রফতানির বিভিন্ন মালামালবাহী কনটেইনারে আগুন ধরে যায়। এই বিস্ফোরণে শব্দে আশেপাশের চার কিলোমিটার এলাকা কেঁপে উঠে। আশপাশের অধিকাংশ বিল্ডিয়ের কাঁচের গ্লাস ভেঙে যায়। চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের সবগুলো ইউনিট চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। পরে রাত সাড়ে ৩টার দিকে ফেনী, নোয়াখালী ও কুমিল্লা থেকে অগ্নি নির্বাচক গাড়ি পাঠাতে অনুরোধ করা হয়। যোগ দেয় ফায়ার সার্ভিসের ২৫টি ইউনিট। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ৩৩ জনের মরদেহ চমেক হাসপাতালের মর্গে আনা হয়।

অর্থসূচক/এএইচআর

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.