এবার চিনি রপ্তানি বন্ধ করতে যাচ্ছে ভারত

গম রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা শেষ না হতেই ভারত এবার ১০ মিলিয়ন টন চিনি রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বলে জানা গেছে। দেশিয় বাজারে চিনির মূল্য নিয়ন্ত্রণে এ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে দেশটি। বিগত ৬ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো ভারত এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বলে সরকারি এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানায়।

মঙ্গলবার (২৪ মে) রয়টার্স এক প্রতিবেদন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সারাবিশ্বে একমাত্র চিনি উৎপাদনকারী দেশ হল ভারত এবং ব্রাজিলের পরেই দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশও ভারত। ব্রাজিলে কম চিনির উৎপাদন এবং বিশ্বে উচ্চ তেলের দাম বাড়াতেৎ সেখানকার মিলগুলো অচল হয়ে পড়ে যার কারণে বাজারে চিনির দাম বাড়ছে।

ভারত শুরুতে ৮ মিলিয়ন টন চিনি রপ্তানি করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কিন্তু পরে যখন দেখল যে উৎপাদন ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে তখন মিল-কারখানার মালিকদেরকে আন্তর্জাতিক বাজারে চিনি রপ্তানির পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দিতে বললেন।

ইন্ডিয়ান স্যুগার মিলস এসোসিয়েশন-এর উৎপাদন বিভাগ জানাল, গত বছরের তুলনায় এ বছর সাড়ে ৪ মিলিয়ন টন চিনির উৎপাদন বেড়েছে। গত বছর চিনির উৎপাদন ছিল আনুমানিক ৩১ মিলিয়ন টন।

জানা গেছে, ২০২১-২২ চলতি বাজারে কোনো ধরনের সরকারি প্রণোদনা ছাড়াই তারা সাড়ে ৮ মিলিয়ন টন চিনি রপ্তানির জন্য চুক্তি করেছে। চুক্তিকৃত অংশ ছাড়াও তারা ৭ মিলিয়ন টনের অধিক চিনি খাদ্য ও বেভারেজ তৈরির জন্য বিভিন্ন মিল ও কারখানাতে পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য হল বলরামপুর চিনি, ডালমিয়া ভারত সুগার, ঢামপুর সুগার মিলস, দ্বারিকেশ সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ এবং রেনুকা সুগারস।

দুর্ভাগ্যবশত এ সমস্ত প্রধান প্রধান চিনি মিলগুলোর উৎপাদন আজ ৮ শতাংশ কমে গেছে। বিশ্ববাজারে চিনি রপ্তানি করা মুম্বাই ভিত্তিক এক ডিলার জানান, মিলমালিক ও সরকার খুশি হবে যদি আমরা ১০ মিলিয়ন টন চিনি রপ্তানি করতে পারি। কোম্পানি পলিসির কারণে লোকটি তার নাম উল্লেখ করেন নি বলে রয়টার্স এ প্রতিবেদনে জানান।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
মন্তব্য
Loading...