পদ্মা ব্যাংকে পদ্মা ‘প্রয়োজন’ ঋণের উদ্বোধন

গ্রাহকদের জন্য পদ্মা প্রয়োজন ঋণ সেবা চালু করল পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড। এছাড়া গাড়ি, বাড়ি ও পার্সোনাল ঋণ সেবা চালু করা হয়েছে ।

শনিবার (২০ নভেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডির বিজিবি হলে পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের ঢাকা দক্ষিণ জোনের উদ্যোগে গ্রাহক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে পদ্মা প্রয়োজনের সঙ্গে বাকি ঋণ সেবাগুলোর মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এছাড়া অটোমেটেড চালান সিস্টেমের (এ-চালান)উদ্বোধন করা হয়।

পদ্মা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এহসান খসরু প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন এবং উদ্বোধন করেন “পদ্মা প্রয়োজন” ঋণের। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়সাল আহসান চৌধুরী। ব্যক্তিগত সেভিংস, পদ্মাবতী, পদ্মা প্রতিদিন একাউন্টে ন্যুনতম পাঁচ হাজার টাকা ব্যালেন্স থাকলেই মিলবে ‘প্রয়োজন’ লোন। সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত এই ঋণ পাওয়া যাবে। মাসিক কিস্তি প্রতি হাজারে মাত্র ৯০ টাকা। পরিবারের যে কেউ একজন গ্যারান্টর হলেই চলবে। নিয়মিত ঋণ পরিশোধ করে পরবর্তী বছর পাওয়া যাবে বর্ধিত হারে ঋণ নেয়ার সুবিধা।

শুধু মাত্র পদ্মাব্যাংকের ওপর আস্থা রাখায় গ্রাহকদেরকে সম্মান জানানোর জন্য এবং তাদের প্রয়োজনে পাশে থাকার জন্য ব্যতিক্রমী এই ঋণ সেবা চালু করা হয়েছে বলে জানান ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো.এহসান খসরু।

এহসান খসরু জানান, বিনিয়োগ, রেমিট্যান্স, আমানত ও রিকভারিতে সফলতার পাশাপাশি পদ্মা-ওয়ালেট, পদ্মা আই ব্যাংকিং-সহ ব্যাংকের বিভিন্ন আধুনিক প্রোডাক্ট গ্রাহকদের সামনে তুলে ধরেন তিনি।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন পদ্মা ব্যাংকের চিফ অপারেটিং অফিসার জাবেদ আমিন ও আলম, সিএফও মো. শরিফুল ইসলাম, ইউনডিপির বাংলাদেশের কান্ট্রি ইকোনোমিস্ট ড. নাজনীন আহমেদ সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন পদ্মা ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান এম আহসান উল্লাহ খান, এসইভিপি হেড অফ আরএএমডি অ্যান্ড ল’ ফিরোজ, বিজনেস হেড খন্দকার জীবানুর রহমান-সহ ব্যাংকের অন্যান্য বিভাগের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাংবাদিকরা।

সরকারী সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী ব্যাংক ও আইসিবির মূল মালিকানায় পরিচালিত চতুর্থ প্রজন্মের পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড দেশজুড়ে ৫৮টি শাখার মাধ্যমে গ্রাহকদের ব্যাংকিং সেবা দিয়ে আসছে।

অর্থসূচক/আরএমএস/এএইচআর

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •