দ্য হান্ড্রেডের প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন সাউদার্ন ব্রেভ

0
92

ডেভন কনওয়ের ইনজুরিতে টুর্নামেন্টের মাঝপথে সাউদার্ন ব্রেভের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন পল স্টার্লিং। প্রথম পাঁচ ম্যাচের চার ইনিংসে ব্যাট করে ৭১ রান করা স্টার্লিং নায়ক বনে গেলেন ফাইনালে এসে। বার্মিংহাম ফিনিক্সের সঙ্গে ৬১ রানের ইনিংস খেলে দলের বড় সংগ্রহের আভাস দিয়েছিলেন আয়ারল্যান্ডের এই ওপেনার। শেষ দিকে ১৯ বলে ৪৪ রান করে সাউদার্নকে ১৬৮ রানের বড় সংগ্রহ এনে দেন রস হোয়াইটলি।

এরপর বাকি কাজটা সারেন টাইমাল মিলস-জর্জ গার্টনরা। এদিকে পুরো আসর জুড়ে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে দলকে জিতিয়ে ফাইনালে এনেছিলেন লিয়াম লিভিংস্টোন। ফাইনালেও বার্মিংহাম ফিনিক্সের হয়ে খেলছেন ১৯ বলে ৪৬ রানের দারুণ এক ইনিংস। তবে ১৬৯ রান তাড়ায় সেটা যথেষ্ট ছিল না। হারতে হয় ৩২ রানে। তাতে দ্য হান্ড্রেডের প্রথম আসরের ফাইনালের শিরোপা উঁচিয়ে ধরে জেমস ভিনসের সাউদার্ন।

জয়ের জন্য ১৬৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি বার্মিংহাম। গার্টনের দ্বিতীয় বলেই সাজঘরে ফেরেন ডেভিড বেডিংহাম। দলীয় ১৪ রানের সময় প্যাভিলিয়নের পথে হাঁটেন আরেক ওপেনার উইল স্মিড। এরপর মঈন আলি ও লিভিংস্টোন মিলে গড়েন দারুণ এক জুটি। তাঁদের দুজনের জুটি থেকে আসে ৫৬ রান। সমান চারটি করে ছক্কা ও চারে ১৯ বলে ৪৬ রান করে লিভিংস্টোন রান আউট হয়ে ফিরলে ভাঙে তাঁদের এই জুটি।

থিতু হতে পারেননি মিলস হেমন্ড। মিলসের বলে ফিরেছেন মাত্র ৩ রান করে। এরপর জ্যাক লিনটটের বলে ক্রেইগ ওভারটনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৩০ বলে ৩৬ রান করা মঈন। শেষ দিকে ক্রিস বেনজামিন অপরাজিত ২৩ ও বেনি হাওয়েল ২০ রান করলেও দলের জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। নির্ধারিত ১০০ বলে ১৩৬ রান করে থামলে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বার্মিংহামকে।

এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে স্টার্লিংয়ের ৬১ ও হোয়াইটলির অপরাজিত ৪৪ রানের সুবাদে ১৬৮ রান সংগ্রহ করে সাউদার্ন। এ ছাড়া দলটির হয়ে ২৭ রান করেছেন অ্যালেক্স ডেভিস। বার্মিংহামের হয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন অ্যাডাম মিলনে।

 

অর্থসূচক/এএইচআর