করোনায় একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক

0
134

করোনা মহামারির তাণ্ডবে টালমাটাল বিশ্ব। বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চলছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। এর মধ্যে এপ্রিল মাসে দেশে হঠাৎ করেই করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃত্যুতে ব্যাপক উল্লম্ফন হয়। মাঝে কিছুদিন শনাক্ত ও মৃত্যু কমলেও আবারও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে করোনা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন রোগী শনাক্ত কমেছে। তবে এ সময়ে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১২ হাজার ৭৪৪ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর আগে ২৮ জুলাই দেশে ১৬ হাজার ২৩০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়, যা একদিনে এ যাবতকালের সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড।

আগের সাত দিনে দেশে যথাক্রমে ১৩৮১৭, ১৫৭৭৬, ১৫৯৮৯, ১৪৮৪৪, ৯৩৬৯, ১৩৮৬২ ও ১৫২৭১ জন রোগী শনাক্ত হয়।

সর্বশেষ তথ্য অনুসারে দেশে নভেল করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ২২ হাজার ৬৫৪ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪৬ হাজার ৯৯৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৭ দশমিক ১২ শতাংশ। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ছিল ২৭ দশমিক ৯১ শতাংশ।

এর আগের ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয় ৪৯ হাজার ৫১৪টি। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার করা হয়েছে ৭৯ লাখ ৯৫ হাজার ৬৭৮ জনের। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

আজ বৃহস্পতিবার (০৫ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।


একনজরে দেশের করোনার চিত্র

নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন: ১২৭৪৪ জন

মোট আক্রান্তের সংখ্যা: ১৩২২৬৫৪ জন

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে: ২৬৪ জনের

মোট মৃত্যু হয়েছে: ২১৯০২ জনের

২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন: ১৫৭৮৬ জন

মোট সুস্থ হয়েছেন: ১১৫৬৯৪৩ জন


গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২৬৪ জন মারা গেছেন, যা একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এর আগে গত ২৮ জুলাই দেশে করোনায় ২৫৮ জনের মৃত্যু হয়।

গত সাত দিনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন যথাক্রমে ২৪১, ২৩৫, ২৪৬, ২৩১, ২১৮, ২১২ ও ২৩৯ জন।

সর্বশেষ তথ্য অনুসারে দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৮ জনে। মোট শনাক্তকৃত রোগীর বিপরীতে মৃত্যুর হার এক দশমিক ৬৬ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ১৫ হাজার ৭৮৬ জন সুস্থ হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। দেশে এখন পর্যন্ত করোনা থেকে মোট সুস্থ হয়েছেন ১১ লাখ ৫৬ হাজার ৯৪৩ জন। মোট শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

অর্থসূচক/কেএসআর