করোনা: আট সপ্তাহের মধ্যে দেশে সর্বনিম্ন শনাক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

0
101

করোনা মহামারির তাণ্ডবে টালমাটাল বিশ্ব। বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চলছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। এর মধ্যে দেশে হঠাৎ করেই করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃত্যুতে ব্যাপক উল্লম্ফন হয়। তবে বিগত বেশ কিছুদিন ধরে শনাক্ত কিছুটা কমেছে। সবশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন রোগী শনাক্ত কমলেও মৃত্যু বেড়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে এক হাজার ২৮৫ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। যা ৫৫ দিন বা প্রায় আট সপ্তাহ পর সর্বনিম্ন শনাক্ত। এর আগে গত ১৪ মার্চ দেশে এক হাজার ১৫৯ জনের দেহে মিলেছিল করোনা।

গত ৭ এপ্রিল করোনা রোগী শনাক্ত হয় সাত হাজার ৬২৬ জন। যা একদিনে এ যাবতকালের সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড।

আগের সাত দিনে দেশে যথাক্রমে ১৬৮২, ১৮২২, ১৭৪২, ১৯১৪, ১৭৩৯, ১৩৫৯ ও ১৪৫২ জন রোগী শনাক্ত হয়।

সর্বশেষ তথ্য অনুসারে দেশে নভেল করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৭২ হাজার ১২৭ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৪ হাজার ৭০৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আর পরীক্ষাকৃত এসব নমুনার ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশের মধ্যে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

গতকাল দেশে ১৭ হাজার ১৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত দেশে মোট ৫৬ লাখ ১৩ হাজার ৯৭৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আর মোট পরীক্ষার ১৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ পজিটিভ।

আজ শনিবার (০৮ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।


একনজরে দেশের করোনার চিত্র

নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন: ১২৮৫ জন

মোট আক্রান্তের সংখ্যা: ৭৭২১২৭ জন

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে: ৪৫ জনের

মোট মৃত্যু হয়েছে: ১১৮৭৮ জনের

২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন: ২৪৯২ জন

মোট সুস্থ হয়েছেন: ৭০৬৮৩৩ জন


গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৪৫ জন মারা গেছেন। ১৯ এপ্রিল করোনায় মারা যান ১১২ জন, যা এযাবতকালের সর্বোচ্চ মৃত্যু। এর আগে ১৮ এপ্রিল দেশে করোনায় মারা যান ১০২ জন। এছাড়া ২৫, ১৭ ও ১৬ এপ্রিল দেশে করোনায় মারা যান ১০১ জন।

গত সাত দিনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন যথাক্রমে ৩৭, ৪১, ৫০, ৬১, ৬৫, ৬৯ ও ৬০ জন।

সর্বশেষ তথ্য অনুসারে দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৮৭৮ জনে। মোট শনাক্তকৃত রোগীর বিপরীতে মৃত্যুর হার এক দশমিক ৫৩ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও দুই হাজার ৪৯২ জন সুস্থ হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। দেশে এখন পর্যন্ত করোনা থেকে মোট সুস্থ হয়েছেন সাত লাখ ৬ হাজার ৮৩৩ জন। মোট শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

অর্থসূচক/কেএসআর