প্রেসক্লাবে সৈয়দ আবুল মকসুদের জানাজা সম্পন্ন

দেশের খ্যাতিমান কলাম লেখক, গবেষক, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদের জানাজা জাতীয় প্রেসক্লাবে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় প্রেসক্লাবে নেয়া হয় আবুল মকসুদের মরদেহ। এরপর তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জাতীয় প্রেসক্লাবে আবুল মকসুদের জানাজায় অংশ নেন তার দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সংবাদ পত্রের সহকর্মী, জাতীয় প্রেসক্লাবে কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক ও বর্তমান কমটির সদস্য এবং অন্যান্য সাংবাদিক বৃন্দ।

এসময় জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘সর্বজন শ্রদ্ধেয় আমাদের মকসুদ ভাই। তার মৃত্যু খুব সহজে মেনে নেয়া যায় না। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষে আমরা একসঙ্গে একটা বইয়ের কাজ করছিলাম। তিনি শুধু সাংবাদিকদের জন্য না, সমগ্র জাতির জন্য লিখতেন। বিশ্লেষণ করতেন। নিরপেক্ষভাবে লিখতেন। তার আরও অনেক কিছু দেয়ার ছিল আমাদের। নির্মোহ এই মানুষটি ছিলেন একদম সাদামাটা। বাংলাকে তিনি অনেক দিয়েছেন।’

সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস বলেন, ‘সৈয়দ আবুল মকসুদের মৃত্যু সাংবাদিক সমাজে গভীর শূন্যতা তৈরি করেছে। তার পরিবারের প্রতি শোক জানাই। তার অসংখ্য ভক্ত-পাঠক ছিলেন।’

আবুল মকসুদের ছেলে নাসিফ মকসুদ বলেন, ‘জীবনের বেশিরভাগ সময় মানুষের কল্যাণে তিনি লিখতেন। হঠাৎ প্রয়াণে হতবিহ্বল হয়ে পড়েছি।’

জানাজা শেষে জাতীয় প্রেসক্লাব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটি, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন সংগঠন মরহুমের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। এসময় দেশের বিশিষ্ট সাংবাদিকসহ মরহুমের আত্মীয়-স্বজন উপস্থিত ছিলেন।

প্রেসক্লাবে জানাজা শেষে বিকেল ৩টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেয়া হয় তার মরদেহ। শহীদ মিনারে সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বিকেল ৪টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে আরেকটি জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাদ আসর আজিমপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন আবুল মকসুদ। রাতে তার মরাদেহ স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়।

অর্থসূচক/এমএস

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
মন্তব্য
Loading...