আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন পরীমণি

মারধর, ভাঙচুর, হত্যাচেষ্টা ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে উত্তরা ক্লাব লিমিটেডের সাবেক সভাপতি ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদ করা মামলায় জামিন পেয়েছেন আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর)তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করলে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমান এ আদেশ দেন।

এর আগে তার আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত (সুরভী) এতথ্য নিশ্চিত করে বলেন, বুধবার পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমানের আদালত। এই মামলায় পরীমনি স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইবেন। এজন্য সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পরীমনি আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়েছেন। আশা করি আদালত তার জামিন মঞ্জুর করবেন।

আদালত সূত্র জানায়, গতকাল মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু পরীমণি অসুস্থতাজনিত কারণে আদালতে হাজির হতে পারেননি জানিয়ে আসামিপক্ষ সময়ের আবেদন করে। রাষ্ট্রপক্ষ পরীমণির জামিন বাতিল চেয়ে আবেদন করে। পরে আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন গ্রহণ করে পরীমণির জামিন বাতিল করেন এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছিলেন।

২০২৪ সালের ১৮ মার্চ ঢাকা জেলা পিবিআই পরীমনি ও জিমির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। একই বছরের ১৮ এপ্রিল আদালত অভিযোগ আমলে নেন। গত বছরের ২৬ জানুয়ারি আদালত পরীমনি ও জিমির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছিল, পরীমনি ও তার সহযোগীরা বিভিন্ন নামী ক্লাবে যেতেন, মদপান করতেন এবং পুলিশের সঙ্গে নিজেদের সুসম্পর্কের ভয় দেখিয়ে অর্থ পরিশোধ না করেই মদ নিয়ে যেতেন।

২০২১ সালের ৯ জুন রাতে পরীমনি ও তার সহযোগীরা ঢাকা বোটক্লাবে যান। সেখানে পরীমনি টাকা না দিয়েই এক বোতল মদ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বাদী তাতে বাধা দেন। এরপর পরীমনি তাকে গালাগালি করেন এবং গ্লাস ও ফোন ছুড়ে মারেন। এতে নাসির মাথা ও বুকে আঘাত পান।

এতে আরও বলা হয়, তারা নাসিরকে মারধর ও হত্যার হুমকিও দিয়েছিলেন।

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.