নির্বাচনে প্রার্থীদের জন্য ডোপটেস্ট কেন বাধ্যতামূলক নয়, হাইকোর্টের রুল

আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের জন্য নির্বাচনী বিধিমালায় এবং নির্বাচনী আইন সংশোধন করে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা কেন হবে না তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ইসরাত জাহান অনির করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলী সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রিটকারী আইনজীবী ইসরাত জাহান অনি বলেন, আমার জনপ্রতিনিধিকে অবশ্যই মাদকমুক্ত হতে হবে। সরকারি চাকরিজীবী ও পুলিশের জন্য এই নিয়মটা আছে।
তাহলে আমি ট্যাক্সপেয়ার, আমাকে রিপ্রেজেন্ট করছে একজন মেম্বার অব পার্লামেন্ট, আমাকে রিপ্রেজেন্ট করছে এলাকার চেয়ারম্যান, মেম্বার- তারা যদি মাদকাসক্ত হয়, তাহলে তো আমাকে ভালোভাবে জনপ্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন না। জনগণের অধিকারটা আদায় করতে পারবেন না। সেজন্যই ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা উচিত। আমরা চাই, আমাদের জনপ্রতিনিধিরা সুস্থ,স্বাভাবিক ও সাউন্ড মাইন্ডের মানুষ হবেন।

রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), নির্বাচন কমিশন সচিব এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ মোট সাতজনকে বিবাদী করা হয়েছে।

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.