সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দুইবার ফোন করেন। ট্রাম্পকে ফোনের উদ্দেশ্য ছিল হুথিদের ওপর বিমান হামলা চালানোর অনুরোধ জানানো। তবে ট্রাম্প সৌদির ক্রাউন প্রিন্সের অনুরোধ ওই সময় রাখেননি।
তবে যুক্তরাষ্ট্র এখন তার অবস্থান পরিবর্তন করতে পারে বলে জানিয়েছে একটি মার্কিন গণমাধ্যম। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) তারা এক প্রতিবেদনে বলেছে, গতকাল সৌদির রাজধানী রিয়াদে হামলা চালায় হুথিরা। এরপরই মার্কিনিরা তাদের বর্তমান অবস্থান পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নেয়।
গণমাধ্যমটি আরও জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্যাম্প ডেভিডের অবকাশ থেকে হঠাৎ করে হোয়াইট হাউজে ফিরে এসেছেন। এর আগে গতকাল অবকাশস্থলে তিনি তার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যায় সে ব্যাপারে তারা আলোচনা করেন।
গণমাধ্যমটির জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক অ্যালেক্স প্লিটসাস এক্সে এক পোস্টে বলেছেন, তিনি জানতে পেরেছেন সেখানে আলোচনায় ওঠে আসে যুক্তরাষ্ট্র হুথিদের ওপর হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের বিভিন্ন দূতাবাস ও অবকাঠামো প্রতিশোধমূলক হামলার শিকার হতে পারে। আর এরপরই মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নতুন করে সতর্কতা জারি করে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৈঠকের পর ট্রাম্প হোয়াইট হাউজে ফিরে আসেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্র ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হতে চাইছিল না। কারণ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে এমনিতেই বিপুল খরচ হয়েছে। আবার নভেম্বরে দেশটিতে মধ্যবর্তী নির্বাচন হবে। ফলে নতুন করে আরেকটি যুদ্ধ শুরু করলে এ নির্বাচনে ট্রাম্পের দলের জনপ্রিয়তা হ্রাস পেতে পারে। কিন্তু এরমধ্যেই শোনা যাচ্ছে হুথিদের বিরুদ্ধে হামলা চালাবে তারা।
গত সপ্তাহে হুথিদের সঙ্গে মার্কিনিরা সরাসরি আলোচনায় বসেছিল। ওই সময় হুথিরা তাদের আশ্বস্ত করে লোহিত সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো জাহাজে হামলা চালাবে না তারা। এটিও হুথিদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার অন্যতম কারণ ছিল।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.