পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতির ওপর যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানি ও সংশ্লিষ্ট কিছু সেবার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। একই সঙ্গে পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতাকে ‘জাতিগত নিধন’ বলেও আখ্যা দিয়েছে ব্রিটিশ সরকার।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড সংসদে বলেন, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের চালানো হামলার মাধ্যমে ‘এথনিক ক্লিনজিং’ বা ‘জাতিগত নিধন’ চলছে। এ ক্ষেত্রে ইসরায়েল সরকার ‘চোখ বন্ধ করে আছে’ বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক আইনে এসব বসতি অবৈধ পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যোগ দেবে ফ্রান্স ও কানাডা। পরবর্তীতে আরও নয়টি দেশ একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত নেবে। দেশগুলো হলো—ডেনমার্ক, স্পেন, ফিনল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল ও সুইডেন।

এই নিষেধাজ্ঞা এমন এক সময়ে আরোপ করা হয়েছে যখন ইসরায়েল অধিকৃত পশ্চিম তীরে ১২০০টি নতুন বাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা করছে এবং এ বছর ফিলিস্তিনিদের ওপর বসতি স্থাপনকারীদের হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে।

যুক্তরাজ্যের এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তকে ‘গুরুতর ভুল’ হিসাবে মন্তব্য করেন।

এদিকে, ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি বিবিসিকে বলেছেন, এই নিষেধাজ্ঞার কারণে যুক্তরাজ্যের কিছু প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারে।

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.