চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে নেপালি কর্মকর্তারা বিবিসিকে জানিয়েছেন যে, রাসুয়ার ‘লেক টু’ হিমবাহে পানি জমতে শুরু করেছে।
নেপালের বন্যা পূর্বাভাস বিভাগের প্রধান বিনোদ পরাজুলি বলেছেন যে, চীনের তথ্য অনুযায়ী হিমবাহ হ্রদটিতে আনুমানিক সাড়ে ছয় লাখ ঘনমিটার পানি জমেছে। ধীরে ধীরে এই হিমবাহ হ্রদটি ভরাট হয়ে যাচ্ছে পানিতে। তাই সেটিতে ফাটল দেখা দেওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।
এদিকে, ধারণা করা হচ্ছে যে বন্যার পর বিভিন্ন বিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গগুলোতে প্রায় ৯৩৩ জন মানুষ আটকা পড়েছেন। আটকা পড়াদের উদ্ধারে বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ দল এসে যোগ দিয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত একাধিক জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সুরঙ্গ থেকে নতুন করে কাউকে উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়নি।
রাসুয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উদ্ধারকারী দল ড্রোন ব্যবহার করে সুড়ঙ্গটির শেষ প্রান্তে পৌঁছালেও কারো খোঁজ পায়নি। সুড়ঙ্গে অনেক শ্রমিক আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হলেও নতুন করে সেখান থেকে কাউকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.