সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে ‘কাস্টমার ফার্স্ট, পেমেন্ট অ্যান্ড সার্ভিস এক্সিলেন্স’ শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাষ্ট্র মালিকানাধীন শরিয়াহভিত্তিক সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসিতে সর্বোচ্চ গ্রাহকসেবা নিশ্চিতকরণ, স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম পুনরুদ্ধার এবং গ্রাহকবান্ধব সেবার মান আরও উন্নত করার লক্ষ্যে ‘কাস্টমার ফার্স্ট: পেমেন্ট অ্যান্ড সার্ভিস এক্সিলেন্স’ শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি ব্যাংকের কর্পোরেট কার্যালয়ে আয়োজিত এ সম্মেলনে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবেদুর রহমান সিকদার প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।
শনিবার (২৯ আগস্ট) ব্যাংকটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সম্মেলনে ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক, উপব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ, প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীবৃন্দ এবং ঢাকা শহরের বিভিন্ন শাখার শাখা ব্যবস্থাপকরা সরাসরি উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি সারাদেশের বিভিন্ন শাখা, উপশাখা ও অন্যান্য কর্মস্থল থেকে প্রায় ১৬ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সম্মেলনে যুক্ত হন।
সম্মেলনে গ্রাহকসেবা ও স্বাভাবিক লেনদেনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ, গ্রাহকবান্ধব ও সেবামুখী করার বিষয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে গ্রাহকের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, দ্রুত ও নির্বিঘ্ন সেবা প্রদান এবং ব্যাংকের কার্যক্রমে পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবেদুর রহমান সিকদার বলেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক দেশের প্রথম রাষ্ট্র মালিকানাধীন শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক এবং মূলধনের বিবেচনায় দেশের অন্যতম বৃহৎ ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান। এ ব্যাংককে ঘিরে সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, নীতিনির্ধারক, আমানতকারী, গ্রাহকসহ দেশের মানুষের প্রত্যাশা অত্যন্ত বেশি। আমাদের প্রত্যেককে সম্মিলিতভাবে এ প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, ব্যাংকের প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শরিয়াহর নীতিমালা, প্রচলিত আইন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা এবং ব্যাংকিং বিধিবিধান যথাযথভাবে পরিপালন করে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা, মানবিকতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। গ্রাহকের স্বার্থ ও অধিকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সেবার প্রতিটি পর্যায়ে আস্থার পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, গ্রাহকের আস্থাই একটি ব্যাংকের সবচেয়ে বড় সম্পদ। তাই শরিয়াহভিত্তিক, আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও সর্বোৎকৃষ্ট ব্যাংকিং সেবা প্রদানের মাধ্যমে গ্রাহকের আস্থা পুনরুদ্ধার ও আরও সুদৃঢ় করতে হবে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেন।
তিনি আরও বলেন, গ্রাহকসেবার ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের অনিয়ম, জালিয়াতি, অবহেলা, হয়রানি ও অযাচিত গ্রাহকভোগান্তি কঠোরভাবে প্রতিরোধ করতে হবে। এ বিষয়ে ব্যাংকে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, গ্রাহকের সঙ্গে প্রতিটি আচরণ ও সেবার প্রতিটি ধাপে ব্যাংকের পেশাদারিত্ব ও মূল্যবোধের প্রতিফলন থাকতে হবে।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.