ইসরায়েলি দখলদারিত্বই মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির প্রধান বাধা: কাতার

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি দখলদারিত্বের অবসান না হলে মধ্যপ্রাচ্যে ন্যায়সংগত ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে কাতার।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের এক অধিবেশনে আরব গোষ্ঠীর হয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় এ মন্তব্য করেন জাতিসংঘে কাতারের রাষ্ট্রদূত আলিয়া আহমেদ সাইফ আল-খানি। গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত ওই অধিবেশনে তিনি ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করেন। আলজাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কাতারের রাষ্ট্রদূত বলেন, গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের চলমান কর্মকাণ্ড এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় তার দেশ গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানাচ্ছে।

তিনি বলেন, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা এবং গাজায় যুদ্ধ বন্ধ, জিম্মিদের মুক্তি ও উপত্যকাটির পুনর্গঠনের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ২০২৫ সালে নেওয়া বিস্তৃত পরিকল্পনা—দুটিই ইসরায়েল প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

আল-খানির মতে, ইসরায়েলের এমন অনমনীয় অবস্থান শান্তি প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যৌথ প্রচেষ্টাকে দুর্বল করছে। এ পরিস্থিতিতে তিনি শান্তি পরিকল্পনাটি দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

কাতারের এই প্রতিনিধি আরও বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার নিশ্চিত করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের পক্ষ থেকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে ক্রমবর্ধমান স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টিকেও স্বাগত জানান তিনি।

তার ভাষায়, ফিলিস্তিনিদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং ইসরায়েলি দখলদারিত্বের অবসান ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তির পথ তৈরি হবে না।

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.