রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিতে বঙ্গভবনে প্রবেশ করেছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এদিকে রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বঙ্গভবন এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিভিন্ন পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে তার গাড়িবহর বঙ্গভবনে প্রবেশ করে।
এর আগে বিকাল থেকেই শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বঙ্গভবনে এরই মধ্যে আমন্ত্রিত অতিথিরাও আসতে শুরু করেছেন। আমন্ত্রণপত্রের কার্ড দেখিয়ে অতিথিদের বঙ্গভবনে প্রবেশ করতে দেখা যাচ্ছে। মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, বিচারপতি, কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন।
বঙ্গভবনের দরবার হলে আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল তাঁকে শপথ পড়াবেন। পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
জানা গেছে, শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ১ হাজার ২০০-এর বেশি আমন্ত্রণপত্র বিতরণ করা হয়েছে। দরবার হলে সাধারণ সময়ের তুলনায় এবার আসনসংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। প্রায় ৪০০ জনের বসার ব্যবস্থা থাকলেও এবার তা বাড়িয়ে ৮০০-এর বেশি করা হয়েছে।
শপথ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তা, বিচার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি বিদেশি অতিথি, রাষ্ট্রদূত, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, বিরোধী দলের নেতা ও সংসদ সদস্য, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।
রাষ্ট্রপতির শপথের পরই মন্ত্রিসভার নতুন চার সদস্যের শপথ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট। একই দিন নির্বাচন কমিশন মির্জা ফখরুলকে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
এর আগে গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে পদটি শূন্য হয়। সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। আর ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল স্পিকারের দায়িত্ব পান।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.