দিনের শুরুতে তানজিদ ও মুমিনুল হকের ১০২ রানের জুটিতে বাংলাদেশ ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছিল। মুমিনুল ৪৯ রানে আউট হওয়ার পর শান্ত ও তানজিদ দলকে এগিয়ে দেন। ১৮৮ বলে চমৎকার সেঞ্চুরি করেন তানজিদ। বাংলাদেশ বড় লিড নেওয়ার আভাস দিচ্ছিল। শান্তও ছিলেন সেঞ্চুরির কাছে। কিন্তু সেঞ্চুরির পরপর তানজিদ এবং ৮৪ রানে অধিনায়কের আউটের পর ধাক্কা খায় সফরকারীরা।
৩ উইকেটে ২৯৭ রান করা বাংলাদেশ ৩০৮ রানের মধ্যে ৬ উইকেট হারায়। নতুন বলে ১১ রানে তিন ব্যাটারের পতন হয়। জশ হ্যাজলউড শান্তকে স্টিভ স্মিথের ক্যাচ বানান। অজি পেসারের এক্সট্রা বাউন্সে বল তার ব্যাটের কানায় লেগে দ্বিতীয় স্লিপে ধরা পড়ে। ১২৬ বলে ৭ চার ও ১ ছয়ে ইনিংস সাজানো ছিল অধিনায়কের ১৬ রানের আক্ষেপে ভাসানো ইনিংস।
অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে দলে জায়গা পাওয়া লিটন দাস আজ কিছুই করতে পারলেন না, আউট হয়ে যান শূন্য রানে। স্টার্কের বলে ড্রাইভ করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু বল থিক এজ হয়ে স্মিথের হাতে এসে পড়ে। মুশফিক সেট হওয়ার আভাস দিলেও ফিরতে হয়। ৫৫ বলে ৩৬ রান করে প্যাট কামিন্সের শিকার হন তিনি।
৩০৮ রানে ষষ্ঠ উইকেট পড়ার পর ক্রিজে লড়াই শুরু করেন হাসান ও মিরাজ। দাঁত কামড়ে পড়ে থাকার পণ করেন তারা। এখন পর্যন্ত সফল তারা। প্রায় ২৫ ওভার ব্যাট করলেন দুজনে। ৭৩ বলে ৩২ রানে মিরাজ ও ৭৬ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত আছেন হাসান। তাদের এমন প্রাচীর গড়া ইনিংসে বাংলাদেশ বড় লিড নেওয়ার আশা করছে। ইতোমধ্যে লিড দেড়শ ছাড়িয়েছে। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে টাইগারদের লিড ১৫৩ রানের।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.