ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত মামলা শুনানিতে বিব্রতবোধ করেছেন হাইকোর্ট। মামলার নথি পাঠানো হয়েছে প্রধান বিচারপতির কাছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) হাইকোর্টের বিচারপতি মুজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চের একজন বিচারপতি বিব্রতবোধ করেন।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. সাদ্দাম হোসেন ও জায়েদ বিন আমজাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ এবং এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ঘটনায় সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। হাইকোর্টে দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদনে জেএমসি বিল্ডার্সের মাধ্যমে ব্যাংকের শেয়ার নিয়ন্ত্রণ এবং এস আলম গ্রুপের স্বার্থ রক্ষায় তার ভূমিকার অভিযোগ উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্যে বলা হয়, ২০১৭ সালে সরকারের প্রত্যক্ষ মদতে এস আলম গ্রুপ ব্যাংক কোম্পানি আইনের একাধিক বিধান লঙ্ঘন করে ইসলামী ব্যাংকের প্রায় ৮২ শতাংশ শেয়ারের নিয়ন্ত্রণ নেয়। ওই সময় জেএমসি বিল্ডার্সের প্রতিনিধি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিনকে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরে তিনি ব্যাংকটির ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেন। রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে তিনি ওই পদ থেকে সরে দাঁড়ান।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হাইকোর্টের নির্দেশে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারির বিষয়ে তদন্ত শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা (বিএফআইইউ)। এ বিষয়ে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করেছে বিএফআইইউ।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.