চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে থাকা জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগেই আজ দেশে ফিরছেন।
এদিকে গতকাল রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে বিদায়ের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন।
স্পিকারের আগাম দেশে ফেরার খবর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের আলোচনাকে আরও জোরদার করেছে। কারণ, নিয়মানুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদত্যাগপত্র জমা দেন স্পিকারের কাছে। আর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন স্পিকার।
এর আগে গত ২২ জুলাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক করেন। এসব তৎপরতার সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ঘটনাগুলো রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।
গতকাল দিনভর রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগের খবর বিভিন্ন মহলে আলোচিত ছিল। বিএনপির নেতাদের মধ্যেও এ নিয়ে নানামুখী আলোচনা ছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন ৭৫ বছর বয়সী মো. সাহাবুদ্দিন। সে অনুযায়ী তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা।
এদিকে রাষ্ট্রপতির দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা বলেছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগের ব্যাপারে মানসিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। স্পিকার দেশে ফেরার পর তিনি পদত্যাগ করতে পারেন।
রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খানসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার নাম আলোচনায় ছিল। তবে হঠাৎ করেই সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্বে থাকা একজন জ্যেষ্ঠ সচিব এবং একজন সাবেক সচিবের নামও আলোচনায় এসেছে। এছাড়া সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রিফাত আহমেদের নামও আলোচনায় রয়েছে।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.