যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ বৃদ্ধির প্রায় পুরোটাই এসেছে মাত্র হাতে গোনা কয়েকটি তালিকাভুক্ত কোম্পানির কাছ থেকে। অন্যদিকে তালিকাভুক্ত ৯৬ শতাংশেরও বেশি কোম্পানি ভালো রিটার্ন দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
গত ১০০ বছরের শেয়ারবাজারের ইতিহাস বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক পত্রিকার
নিউইয়র্ক টাইমস ।
অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক হেনড্রিক বেসেমবিন্ডারের গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।
গবেষণায় দেখা যায়, শতাব্দীর সেরা পারফর্ম করা কোম্পানিগুলোর বেশির ভাগই প্রযুক্তি খাতের। এ তালিকার শীর্ষে রয়েছে অ্যাপল, এনভিডিয়া ও মাইক্রোসফট। এছাড়া ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠিত টেসলাও শীর্ষ পারফর্মারদের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ সময়ে অধিকাংশ শেয়ারের রিটার্ন এক মাস মেয়াদি মার্কিন ট্রেজারি বিলের গড় ৩ দশমিক ৩ শতাংশ রিটার্নের চেয়েও কম ছিল। অর্থাৎ ঝুঁকিমুক্ত এই বিনিয়োগে যে আয় পাওয়া যেত, পুঁজিবাজারের বিপুল সংখ্যক কোম্পানি তার চেয়েও ভালো রিটার্ন দিতে পারেনি।
অর্থনীতিবিদদের মতে, এই ফলাফল শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের বাস্তবতা তুলে ধরেছে। বাজারের সামগ্রিক সূচক দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক রয়েছে। তবে প্রকৃত রিটার্নের বড় অংশই আসে অল্প কিছু কোম্পানির মাধ্যমে। এর ফলে কয়েকটি শেয়ার বেছে নেওয়ার পরিবর্তে পোর্টফোলিওতে বৈচিত্র্য আনতে পারলে বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদে অধিক কার্যকর হতে পারে।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.