টানা বৃষ্টিতে রাঙ্গামাটির বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৩৭টি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। তবে এ পর্যন্ত নতুন করে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসন থেকে এ সব তথ্য পাওয়া গেছে।
এর আগে নিখোঁজ থাকা একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ দোকানদার ও বহিরাগত ব্যবসায়ীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে সর্বশেষ তথ্যে জানা যায়, রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার মগবান ইউনিয়নে গত সাতই জুলাই নদী পার হওয়ার সময় ভেসে যাওয়া দলমনি চাকমা নামে এক ব্যক্তির মরদেহ বৃহস্পতিবার উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে, জেলার বিভিন্ন নিচু এলাকায় পানি ঢুকতে শুরু করায় বন্যা এবং আরও বেশি স্থানে পাহাড়ধসের আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ইতোমধ্যে চার হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, বাঘাইছড়ি-মারিশ্যা-দিঘীনালা সড়কের তিন কিলোমিটার এলাকায় রাস্তা ধসে যাওয়ায় ওই সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে এবং কাচালং নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে কাচালং বাজার ডুবে গেছে, সেখানে কোনোরকম যান চলাচল সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী।
সাজেকে আটকে থাকা প্রায় ৫০০ পর্যটকদের বিষয়ে তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারা বলেছে, পরিস্থিতি এরকম থাকলে এখানে মুভমেন্ট করা যাবে না, গাড়ি ডুবে যাবে। কালকে যদি পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হয়, তাহলে নৌকা দিয়ে পর্যটকদের ক্রমে ক্রমে দিঘীনালার দিকে বের করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.