হরমুজ প্রণালিতে তেল ট্যাংকারে হামলার জবাবে ইরানের ওপর “শক্তিশালী” হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই পদক্ষেপকে সমঝোতা স্মারকের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তেহরান জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় এবং দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে। একই সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের তেল নিষেধাজ্ঞার সাময়িক ছাড় প্রত্যাহারকেও ‘অসৎ উদ্দেশ্য ও অবিশ্বস্ততার’ প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক জলপথে বাণিজ্যিক নৌযানে হামলা এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাব হিসেবে এই ‘শক্তিশালী’ সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, বেসামরিক নাবিকদের লক্ষ্য করে হামলার ‘চড়া মূল্য’ ইরানকে দিতে হবে।
যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য সংস্থা ইউকেএমটিও জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বাণিজ্যিক ট্যাংকার হামলার শিকার হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এদিকে কাতার ও সৌদি আরব জানিয়েছে, তাদের পতাকাবাহী একটি করে ট্যাংকারও হামলার মুখে পড়েছে এবং এর জন্য ইরানকে দায়ী করেছে।
একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রপ্তানির ওপর দেওয়া সাময়িক নিষেধাজ্ঞার ছাড় বাতিল করেছে, তবে ১৭ জুলাই পর্যন্ত আগের অনুমোদনের আওতায় থাকা লেনদেন শেষ করার সুযোগ থাকবে।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.