৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করল ঢাকা ব্যাংক

ঢাকা ব্যাংক পিএলসি যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ব্যাংকের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে। এ উপলক্ষে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে দোয়া মাহফিল এবং কেক কাটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সোমবার (৬ জুলাই) ব্যাংকটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (এমডি অ্যান্ড সিইও) ওসমান এরশাদ ফয়েজ, ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা, বিভিন্ন শাখার ব্যবস্থাপক এবং ব্যাংকের কর্মকর্তাবৃন্দ।

বর্তমানে চিকিৎসার জন্য মালয়েশিয়া-এ অবস্থানরত ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ জুমের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে উপস্থিত সকলের উদ্দেশে বক্তব্য প্রদান করেন।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওসমান এরশাদ ফয়েজ। তিনি তাঁর বক্তব্যে গত তিন দশকেরও বেশি সময়ে ঢাকা ব্যাংকের সফল পথচলার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং উদ্ভাবন, প্রযুক্তি, গ্রাহককেন্দ্রিক সেবা ও টেকসই প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে ব্যাংকের ব্র্যান্ড প্রতিশ্রুতি ‘ট্রান্সফর্মিং টুগেদার’ বাস্তবায়নে ব্যাংকের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার ব্যাংকের ৩১ বছরের সাফল্যের পেছনে গ্রাহক, শেয়ারহোল্ডার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সকল অংশীজনের অব্যাহত আস্থা ও সহযোগিতার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি সুশাসন, টেকসই ব্যাংকিং, ডিজিটাল রূপান্তর এবং দীর্ঘমেয়াদি মূল্য সৃষ্টির লক্ষ্যে পরিচালনা পর্ষদের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

ভার্চুয়াল বক্তব্যে প্রতিষ্ঠাতা মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ প্রতিষ্ঠাকাল থেকে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে ঢাকা ব্যাংকের বিকাশের স্মৃতিচারণ করেন। তিনি পরিচালনা পর্ষদ, ব্যবস্থাপনা ও ব্যাংকের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে সততা, পেশাদারিত্ব ও উৎকর্ষের সঙ্গে গ্রাহকসেবায় আত্মনিয়োগের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে পরিচালনা পর্ষদের আরও কয়েকজন সদস্য বক্তব্য প্রদান করেন এবং ব্যাংকের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি ও গ্রাহকদের আস্থা সুদৃঢ় করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মিলিত অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিচালনা পর্ষদের পরিচালকবৃন্দ— এ.টি.এম. হায়াতুজ্জামান খান, রেশাদুর রহমান, আলতাফ হোসাইন সরকার, আফরোজা আব্বাস, আমির উল্লাহ, আব্দুল্লাহ আল আহসান, মো. আমান উল্লাহ সরকার, মির্জা ইয়াসের আব্বাস এবং স্বতন্ত্র পরিচালক বিলকিস আরা বেগম।

অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে সর্বশক্তিমান আল্লাহর নিকট ঢাকা ব্যাংকের অব্যাহত সমৃদ্ধি ও সাফল্য, ব্যাংকের গ্রাহক, শেয়ারহোল্ডার ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সার্বিক কল্যাণ এবং প্রতিষ্ঠাতা মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হয়।

পরবর্তীতে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা হয়।

৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের মধ্য দিয়ে ঢাকা ব্যাংক পিএলসি উদ্ভাবন, প্রযুক্তি এবং গ্রাহককেন্দ্রিক ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে আরও শক্তিশালী, স্মার্ট ও অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে ওঠার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। ‘ট্রান্সফর্মিং টুগেদার’-এর চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে ব্যাংকটি গ্রাহক, শেয়ারহোল্ডার এবং দেশের জন্য টেকসই মূল্য সৃষ্টি ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অর্থবহ অবদান রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

অর্থসূচক/

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.