নথি না থাকায় পেছাল খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি

সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে বনানী থানার হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর তারিখ পিছিয়েছে। আগামী ৮ জুলাই ভার্চুয়ালী গ্রেপ্তার শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক মোক্তার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, গত ২ জুলাই মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার উপপরিদর্শক সাইফুল ইসলাম তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালত আসামির উপস্থিতিতে গ্রেপ্তার দেখানো-সংক্রান্ত শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করেন। তবে শুনানিকালে নথি না থাকায় তা পিছিয়ে আগামী ৮ জুলাই ভার্চুয়ালি শুনানির পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন।

গত বছরের ২৪ জুলাই বিচারপতি খায়রুল হককে রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন। উচ্চ আদালত থেকে জামিনের পর খায়রুল হক কারামুক্ত হচ্ছেন মর্মে কয়েকবার জানান তার আইনজীবীরা। তবে নতুন নতুন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন থাকায় তিনি আর কারামুক্ত হতে পারছেন না।

এ মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট দুপুরে মহাখালী সেতু ভবনের সামনে আন্দোলনকারীরা আন্দোলন করছিলেন। তারা সেখান থেকে শাহবাগ যাওয়ার পথে তাদের ওপর হামলা, গুলিবর্ষণ, ককটেল, হাতবোমা নিক্ষেপ করা হয়। এতে উজ্জ্বল মিয়াসহ ২৫/৩০ জন আহত হন। এ ঘটনায় উজ্জ্বল মিয়া বনানী থানায় হত্যাচেষ্টাসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় যুবদলকর্মী হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতি এবং দুদকের করা পাঁচ মামলায় ২৮ এপ্রিল বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। তার বিরুদ্ধে মোট আটটি মামলার সবগুলোতে জামিনে আছেন তিনি। এবার নতুন করে আরেক হত্যা-চেষ্টা ও বিস্ফোরক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করল পুলিশ।

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.