বেসরকারি খাতই বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বলে মন্তব্য করেছেন আশিক চৌধুরী। তিনি রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
রোববার (৫ জুলাই) নিজের লিংকডইন পোস্টে তিনি বলেন, সরকারের ভূমিকা হওয়া উচিত বেসরকারি বিনিয়োগকে সহায়তা করা, তাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা নয়। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের মাধ্যমে পুনরুজ্জীবিত করতে সব বিনিয়োগকারীর প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।
আশিক চৌধুরী বলেন, এ উদ্যোগে বেসরকারি খাত প্রস্তুত অবকাঠামো বা ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ সুবিধার মাধ্যমে দ্রুত ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ পাবে। অন্যদিকে, সরকারের ওপর আর্থিক চাপ কমবে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। ফলে, এটি সরকার ও বিনিয়োগকারী উভয়ের জন্যই লাভজনক হবে।
তিনি জানান, এরইমধ্যে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সংস্থার অধীনে ৪৪টি বিনিয়োগযোগ্য সুযোগ চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব সুযোগ ইস্পাত, বস্ত্র, রাসায়নিক, চিনি, খাদ্য ও পাট খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এগুলোর আওতায় রয়েছে ১০ হাজার একরেরও বেশি জমি।
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন, এসব শিল্পসম্পদের অবস্থান দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলে। এগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন সম্পদ নয়; বরং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গড়ে তোলা হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেখানে বিদ্যুৎ, গ্যাস, যোগাযোগসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এবং শিল্পভিত্তিক জনবল ও কমিউনিটি বিদ্যমান।
তিনি আরও বলেন, দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে এসব সম্পদ পুনরায় উৎপাদনমুখী ব্যবহারের বিষয়ে আলোচনা চলছে। কোনো কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠান আগের খাতেই পুনরায় চালু হতে পারে। আবার কিছু সম্পদ এমন নতুন শিল্পে ব্যবহার করা হতে পারে, যা আমদানি নির্ভরতা কমাবে কিংবা রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াবে।
আশিক চৌধুরী বলেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য এসব সম্পদ অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ কাঠামো, দ্রুত অনুমোদন এবং সমন্বিত সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।
তিনি জানান, আগ্রহী বিনিয়োগকারীরা সংশ্লিষ্ট অনলাইন পোর্টালে প্রবেশ করে পুরো বিনিয়োগযোগ্য সম্পদের তালিকা ও বিস্তারিত তথ্য দেখতে পারবেন।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.