কিয়েভে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এই হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
ইউক্রেনের রাজধানীতে এটিই “সবচেয়ে বড় হামলা” হিসেবে বর্ণনা করেছেন কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো। তিনি জানিয়েছেন, রাশিয়ার চালানো এই হামলায় প্রায় ৯০ জন আহত হয়েছেন। হামলার শিকার স্থানগুলোর মধ্যে একটি অ্যাম্বুলেন্স স্টেশনও রয়েছে বলে জানান তিনি।
কিয়েভে চালানো অতীতের হামলাগুলোতে নিহতের সংখ্যা এর থেকে বেশি হলেও এবারের হামলায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে এবং বিশাল এলাকাজুড়ে বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়েছে।
রাশিয়া আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির এমন সতর্কবার্তার কয়েক ঘণ্টা পরই কিয়েভে হামলার ঘটনা ঘটে। এর আগেই অবশ্য কয়েকটি এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
মস্কো জানিয়েছে, রাশিয়ার বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইউক্রেনের সামরিক কারখানা লক্ষ্য করে আঘাত করা হয়েছে।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেছেন, রাশিয়া লক্ষ্য অর্জনের জন্য কিয়েভের ওপর চাপ অব্যাহত রাখবে।
মস্কোর বিরুদ্ধে বেসামরিক এলাকাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ করেছে ইউক্রেন। তারা বলছে, আগ্রাসনকারী এবং আত্মরক্ষা করা একটি দেশের কর্মকাণ্ডকে সমানভাবে দেখা ভুল হবে।
এদিকে হতাহতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু রয়েছে বলে জানিয়েছেন কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.