ভেনেজুয়েলা এমন একটি ভূকম্পন সক্রিয় অঞ্চলে অবস্থিত, যেখানে ক্যারিবীয় ও দক্ষিণ আমেরিকান- এই দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থল রয়েছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য অনুযায়ী, বুধবার আঘাত হানা দুটি ভূমিকম্পের মধ্যে দ্বিতীয় এবং তুলনামূলকভাবে বড় ভূমিকম্পটি এই প্লেটগুলোর সীমান্তসংলগ্ন অঞ্চলে “অগভীর স্ট্রাইক-স্লিপ ফল্টিং”-এর ফলে ঘটেছে।
এটি এমন একটি পরিস্থিতি, যখন ফল্ট বা প্লেটগুলোর মধ্যকার ফাটলগুলো অনুভূমিকভাবে সরে যায়। এই সরে যাওয়া দ্রুত ঘটলে ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়।
ইউএসজিএস বলেছে, আজকের এই দুটি ভূমিকম্প সম্ভবত একটি জটিল ভঙ্গুরতা-বিস্তার প্রক্রিয়ার ইঙ্গিত দেয়। বড় ধরনের আফটারশকের শঙ্কা এখনো রয়েছে।
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য দিয়েছেন দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ। অন্তত ৩২ জন নিহত এবং প্রায় ৭০০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় এক মিনিটের ব্যবধানে ভেনেজুয়েলায় দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। প্রথমটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২ এবং ৩৯ সেকেন্ড পর যে ভূমিকম্প হয় সেটির মাত্রা ৭ দশমিক ৫ ছিল বলে যুক্তরাষ্ট্রের জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বুধবার প্রথম ভূমিকম্প আঘাত হানার পর থেকে ভেনিজুয়েলায় ২০টিরও বেশি আফটারশক অনুভূত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় উপকূল, যার মধ্যে লা গুয়াইরা, আরাগুয়া, কারাবোবো এবং ফ্যালকন।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.