ইরানের তেল বিক্রির ওপর ৬০ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার পর এবার দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের ১ হাজার ২০০ কোটি ডলার রাষ্ট্রীয় সম্পদ ছাড় করতে চূড়ান্তভাবে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানিয়েছেন, দুই ধাপে ৬০০ কোটি ডলার করে এই অর্থ ছাড় করা হবে। একই সঙ্গে সুইজারল্যান্ডে চলমান যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা এগিয়ে নিতে নিষেধাজ্ঞা, পারমাণবিক কর্মসূচি, আর্থিক বিষয় ও সমঝোতা বাস্তবায়ন নিয়ে চারটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হয়েছে।
তবে জব্দ অর্থের ব্যবহার নিয়ে দুই দেশের অবস্থানে পার্থক্য দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, এই অর্থ কেবল যুক্তরাষ্ট্র থেকে খাদ্যপণ্য কেনার জন্য ব্যবহার করা যাবে। অন্যদিকে ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে পণ্য কেনার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই; প্রয়োজন অনুযায়ী নিত্যপণ্য ও ওষুধসহ বিভিন্ন খাতে অর্থ ব্যয় করাএদিকে ট্রাম্প আবারও সতর্ক করে বলেছেন, ইরান চুক্তির শর্ত না মানলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জবাবে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান আলোচনার বাইরে অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন এবং সমঝোতার বাস্তবায়নের ওপরই আলোচনার অগ্রগতি নির্ভর করবে বলে উল্লেখ করেছেন।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের চাপ সত্ত্বেও লেবাননে ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত রয়েছে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ১৭ জন নিহত হয়েছেন। ইরান শুরু থেকেই লেবাননসহ সব ফ্রন্টে হামলা বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছে, যা চলমান সমঝোতা আলোচনাতেও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যাবে।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.