অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করা হলো না বাংলাদেশের

অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবার হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্যে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে ২৭৫ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। টস জিতে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ২৭৪ রান করেছে স্বাগতিকরা। জবাবে বাংলাদেশকে ১ উইকেটে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়িয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

পুরো ম্যাচ জুড়েই আধিপত্য বিস্তার করে খেলছিলেন অজিদের কুপার কনোলি। তার ব্যাটেই স্বস্তিদায়ক জয়ের পথে ছিল অস্ট্রেলিয়া। ৪৫ ওভারে স্কোর ছিল ৫ উইকেটে ২৬৬ রান। তার পরের ওভারে জোড়া আঘাতে নাটকীয়ভাবে জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করেন শরিফুল ইসলাম। পর পর তুলে নেন অলিভার পিক (২৭) ও জেভিয়ার বার্টলেটের (০) উইকেট। পিকের আউটে ভাঙে কনোলির সঙ্গে তার ৬৪ রানের জুটি। এক ওভার পর আবারও শরিফুলের আঘাত! এবার তার শিকার হন ডেন ডারশুইস (৪)। তাতে হোয়াইটওয়াশের সুবাস পেতে শুরু করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু পথের কাঁটা কনোলি তখনও প্রান্ত আগলে। ৪৮.৩ ওভারে মোস্তাফিজুর রহমান তাকে ১৪৯ রানে বোল্ড করলে নাটকীয় এক জয়ের মঞ্চ তৈরি করে বাংলাদেশ। দুর্ভাগ্য শেষ ওভারে তাসকিন আহমেদ আর অ্যাডাম জাম্পা ও রাইলি মেরিডিথকে বিপদে ফেলতে পারেননি। জাম্পা ৪৯.৩ ওভারে ৪ মেরে নিশ্চিত করেন জয়।

এর আগে ধীরগতির পিচে ম্যাট রেনশোর আঘাতে শুরুতে চাপে পড়লেও হৃদয়, লিটন দাস ও মোসাদ্দেকের ফিফটিতে লড়াই করার মতো পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ। ইনিংসের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ান বোলাররা বেশ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করলেও উইকেট নেওয়ার মতো ধারাবাহিক সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ফলে মাঝের ওভারগুলোতে ধীরে ধীরে ইনিংস গুছিয়ে নেয় বাংলাদেশ।

শুরুর ওভারে সৌম্যর আউটের পর রেনশোর জোড়া আঘাতে ৬১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়লেও পরে তিন ব্যাটসম্যানের ফিফটি দলকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনে। লিটন দাস এক দফা তীব্র গরমে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়লেও পরে ফিরে অপরাজিত ৫৮ রানের ইনিংস খেলেছেন। তার সঙ্গে ৫৬ রানে অপরাজিত ছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন। দুর্দান্ত খেলতে থাকা মোসাদ্দেক সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগালেও ৮৩ রানে ডারশুইসের বলে কাটা পড়েছেন।

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.