তেহরানে কাতারি প্রতিনিধিদল, শান্তিচুক্তি সইয়ের দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান!

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের অবসান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যাকার শান্তিচুক্তি চূড়ান্ত করতে তেহরানে পৌঁছেছে কাতারি প্রতিনিধিদল। রোববার (১৪ জুন) সকালে যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়ে এ প্রতিনিধিদলটি ইরানে পৌছায়।

ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতারি প্রতিনিধিদলটি ইরানের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন।

চুক্তি সইয়ের সময় নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরান যখন ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিচ্ছে, তখনই কাতার প্রতিনিধি দলের ইরান সফরের খবর সামনে এল।

শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি রোববার সই হওয়ার কথা রয়েছে।

তিনি জানান, চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার পরপরই হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে। ট্রাম্প আরও বলেন, পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক উপাদান নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেবে এবং তা নিষ্ক্রিয় করে ধ্বংস করবে।

এর আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেন, উভয় পক্ষ শান্তি চুক্তির একটি কাঠামোতে সম্মত হয়েছে এবং রোববার ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তুতি চলছে। এরপর আগামী সপ্তাহে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, চুক্তি সইয়ের সম্ভাবনা খুব বেশি হলেও তা রোববারই হবে এমন নিশ্চয়তা নেই। তিনি জানান, আগামী দুই একদিনের মধ্যে জেনেভা বা অন্য কোথাও সফরের পরিকল্পনা নেই তাদের। এছাড়া ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) আজকে চুক্তি সইয়েরর সম্ভাবনা বাতিল করে দিয়েছেন।

মার্কিন গণমাধ্যম এক্সিওস জানিয়েছে, পাকিস্তান, কাতার, মিশর ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় হওয়া আলোচনার অংশ হিসেবে ভার্চুয়াল বৈঠকে এই সমঝোতা চূড়ান্ত হতে পারে।

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.