চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতাল, অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডি, ঢাকার সহযোগিতায় সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক কন্টিনিউয়িং মেডিকেল এডুকেশন প্রোগ্রাম আয়োজন করেছে। বিশেষায়িত অস্ত্রোপচার বিষয়ক শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে জ্ঞান বিনিময়ে অংশ নিতে প্রায় ৩৫০ জন বাংলাদেশি মেডিকেল শিক্ষার্থী, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট রেসিডেন্ট ও কনসালট্যান্ট এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার (২৩ মে) প্রতিষ্ঠানটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
অনুষ্ঠানটি অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে চারটি বিশেষ সেশন অনুষ্ঠিত হয়। সেশনগুলো হলো— “মিনিমালি ইনভেসিভ কার্ডিয়াক সার্জারি এন্ড রোবোটিক কার্ডিয়াক সার্জারি: স্মল ইনসিশন, বিগ ইমপ্যাক্ট”, “লিভিং ডোনার লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশন: ইনোভেশন, এথিকস এন্ড আউটকাম”, “ইউরেথ্রাল স্ট্রিকচার: ডিসিশন মেকিং ইন দ্য রিয়েল ওয়ার্ল্ড”, এবং “অ্যাওয়েক ক্র্যানিওটমি”।
মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালের বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। তাদের মধ্যে ছিলেন কার্ডিওথোরাসিক ও ভাস্কুলার সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. মো. রেহান সায়িদ, লিভার ট্রান্সপ্লান্ট, হেপাটোবিলিয়ারি ও রোবোটিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. এলানকুমারান কে, ইউরোলজি ও রোবোটিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. সন্দীপ বাফনা এবং নিউরোসায়েন্স বিশেষজ্ঞ ডা. সিদ্ধার্থ ঘোষ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. তামজিদ আলম।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিশিষ্ট চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরাও অংশ নেন। তাদের মধ্যে ছিলেন হেপাটোবিলিয়ারি, প্যানক্রিয়াটিক ও লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশন সার্জারি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. বিধান চন্দ্র দাস এবং অধ্যাপক ডা. হাশিম রাব্বি; কার্ডিয়াক সার্জন ডা. মো. মাহবুবুর রহমান ও ডা. কামরুন নাহার; ইউরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. মো. নাসির উদ্দিন ও অধ্যাপক ডা. এন. আই. ভূঁইয়া; এবং নিউরোসায়েন্স বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. ফজলে এলাহী মিল্লাদ ও অধ্যাপক ডা. মো. খায়রুল কবির।
এই সিএমই প্রোগ্রাম বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় হাসপাতাল ব্র্যান্ড জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেড এবং দক্ষিণ এশিয়ার স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাপোলো হাসপাতালের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতাকে আরও সুদৃঢ় করেছে। একাধিক দেশে ৭৬টিরও বেশি হাসপাতাল এবং ৭০০টিরও বেশি ক্লিনিক পরিচালনাকারী অ্যাপোলো হাসপাতাল দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশি রোগীদের বিদেশে না গিয়েও নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা এবং পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশে মেডিকেল ট্যুরিজম আকৃষ্ট করা। অনুষ্ঠানে অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডির উল্লেখযোগ্য অর্জনও তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ১৩ হাজারেরও বেশি বহির্বিভাগ রোগী, এক হাজার ২০০টি অন্তঃবিভাগ এবং ৭৫০টিরও বেশি অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করা। পাশাপাশি সার্জিক্যাল সাইট ইনফেকশনের হার এক শতাংশেরও কম বলে জানানো হয়।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.