পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিজেপির নেতা শুভেন্দু অধিকারী। দিনের শুরুর দিকে গণনায় এগিয়ে ছিলেন মমতা। কিন্তু বিকেলের গড়াতে গড়াতে ব্যবধান কমাতে থাকেন শুভেন্দু।
দক্ষিণ কলকতার সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে এই আসনের ভোট গণনা চলছে। ১৬ রাউন্ড গণনার শেষে ৫৩৮ ভোটে পিছিয়ে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসর সভানেত্রী মমতা ব্যানার্জী। বাকি আছে আরও চার রাউন্ড গণনা। এই পরিস্থিতিতে গণনাকেন্দ্র ঘিরে তৃণমূল ও বিজেপির নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
একপর্যায়ে মমতা ও শুভেন্দু দুজনই গণনাকেন্দ্রে হাজির হন। নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন দুই প্রার্থীরই মোবাইল বাজেয়াপ্ত করে। ভোটগণনার একপর্যায়ের সন্ধ্যার পর শুভেন্দু মমতার চেয়ে বেশি ভোটে এগিয়ে যান। এ সময় মমতা ভোটকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে যান। তার পরে গাড়িতে উঠে কালীঘাটের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন তিনি।
এ সময় ‘চোর-চোর’ স্লোগান শুনেছিলেন মমতা। সোমবার দুপুরে গণনাকেন্দ্র প্রবেশের সময় বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা তাঁর উদ্দেশে এই স্লোগান দিয়েছিলেন। তখনও তাঁর গাড়ির সামনে ‘চোর-চোর’ স্লোগান তোলা হয়েছিল। এ বার গণনাকেন্দ্র থেকে বেরোনোর সময়েও সেই স্লোগানের মুখে পড়তে হল তাঁকে। খবর- আনন্দবাজার পত্রিকার
যদিও এর আগে শুভেন্দু অধিকারীর মুখ্য নির্বাচনি এজেন্ট সূর্যনীল দাস বলেন, ১৬ রাউন্ড গণনার পর ভবানীপুরে ভোট গোনা থমকে গেছে। গণনাকেন্দ্রে মারপিট শুরু করেছে মমতার তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকরা। নিজের পাঞ্জাবি ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
অন্যদিকে, তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ, ভবানীপুরে গণনায় কারচুপির চেষ্টা করছে নির্বাচন কমিশন। তাই গণনা বন্ধ করে রাখা হয়েছে। মমতার এজেন্টকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ।
রাজ্যের ২৯৪টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়েছিল ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল। প্রথম দফায় ১৫২টি আসনে এবং দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়েছে।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.