বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের বহুমুখীকরণ এবং একটি আধুনিক পণ্যভিত্তিক ডেরিভেটিভস বাজার গড়ে তুলতে ভারতের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা ও কারিগরি দক্ষতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ভারতের সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন। তিনি জানিয়েছেন,ভারতের পুঁজিবাজার বিষয়ে সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে, যা বাংলাদেশে ভাগ করে নেওয়া সম্ভব। যৌথ কারিগরি সেশন, বিশেষায়িত কর্মশালা এবং জ্ঞান বিনিময় কর্মসূচির মাধ্যমে বিশেষ করে কমোডিটি ডেরিভেটিভস খাতে বাংলাদেশের আর্থিক বাজার উন্নত করা যেতে পারে।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) ভারতের সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন রবিবার চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (সিএসই) পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে আয়োজিত এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এ উপলক্ষে আয়োজিত এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে সিএসই’র চেয়ারম্যান এ.কে.এম. হাবিবুর রহমান, বোর্ড পরিচালক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম, শাহজাদা মাহমুদ চৌধুরী এবং নাজনীন সুলতানা এফসিএ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও সিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. সাইফুর রহমান মজুমদার, এফসিএ, এফসিএমএসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সিএসই এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাংলাদেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নকে কেন্দ্র করে একটি কৌশলগত পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। তিনি ভারতের পুঁজিবাজারের অভিজ্ঞতা আরও গভীরভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান, বিশেষ করে বাজারের বহুমুখীকরণ এবং পণ্যভিত্তিক ডেরিভেটিভস বাজার গড়ে তোলার ক্ষেত্রে। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন অ্যাসেট ক্লাস সম্প্রসারণে সহযোগিতার অনুরোধ জানান, যাতে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ একটি মাল্টি অ্যাসেট ক্লাস এক্সচেঞ্জ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। তিনি ভারতীয় ব্রোকার ও বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে সম্ভাবনা অন্বেষণের আহ্বান জানান।
ডা. রাজীব রঞ্জন বলেন, ভারতের পুঁজিবাজার বিষয়ে সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে, যা বাংলাদেশে ভাগ করে নেওয়া সম্ভব। যৌথ কারিগরি সেশন, বিশেষায়িত কর্মশালা এবং জ্ঞান বিনিময় কর্মসূচির মাধ্যমে বিশেষ করে কমোডিটি ডেরিভেটিভস খাতে বাংলাদেশের আর্থিক বাজার উন্নত করা যেতে পারে।
তিনি বলেন, এটি মূল্য নির্ধারণ এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জ অব ইন্ডিয়া কমোডিটি ডেরিভেটিভস খাতে বৈশ্বিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অব ইন্ডিয়ার সহায়তায় এর অভিজ্ঞতা সিএসই’র জন্য একটি মডেল হতে পারে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে ভারত শুধু প্রতিবেশী নয়, বরং উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে দেখে। দুই দেশের যৌথ অগ্রযাত্রার মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.