ইরান সরকারকে ‘বিচক্ষণতার সাথে সঠিক পথ’ বেছে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। চলমান যুদ্ধ ও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে পেন্টাগনে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেছেন তিনি।
তার সাথে সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন। ইরানি বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ-অবরোধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম তারা জনসমক্ষে কথা বলেন।
হেগসেথ হুঁশিয়ারি দেন, ইরান যদি ভুল পথ বেছে নেয় এবং চুক্তিতে না আসে, তবে যুদ্ধ আবার শুরু করার মতো যুক্তরাষ্ট্রের পর্যাপ্ত শক্তি আছে। ইরান আর তাদের হারানো শক্তি ফিরে পাবে না বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।
ইরানের সামরিক নেতৃত্বকে উদ্দেশ করে হেগসেথ বলেন, আমরা আপনাদের ওপর নজর রাখছি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সক্ষমতা এক নয় এবং এটি কোনো ‘সমান শক্তির লড়াই’ নয়। আমরা দিন দিন আরও শক্তিশালী হচ্ছি। আপনারা আপনাদের বাকি লঞ্চার ও মিসাইলগুলো খুঁড়ে বের করছেন ঠিকই, কিন্তু সেগুলো নতুন করে তৈরি বা প্রতিস্থাপন করার ক্ষমতা আপনাদের নেই। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তি নিয়ে পুনরায় প্রস্তুত হচ্ছে বলে জানান তিনি।
হেগসেথ বলেন, আমাদের প্রেসিডেন্টের নির্দেশ এবং একটি মাত্র বোতামের চাপে আমরা যে কোনো সময় ঝাঁপিয়ে পড়তে তৈরি।
যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে ইরানের সাথে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করছে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে হেগসেথ বলেন, ইরানের নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা আগের চেয়ে কমে গেলেও, যুদ্ধবিরতির জন্য তাদের আগ্রহ “খুবই বেশি”। ইয়েমেনের ইরানসমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা এই যুদ্ধ থেকে দূরে আছে বলে মনে হচ্ছে। “তাদের পক্ষ থেকে এটি একটি ভালো সিদ্ধান্ত বলে আমরা মনে করি।
সেন্টকমের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার জানান, গত ১৫ দিনে তিনি দুইবার মধ্যপ্রাচ্য সফর করেছেন। এই সময়ে মার্কিন বাহিনী তাদের “কৌশল, পদ্ধতি ও কার্যপ্রণালী” নতুন করে সাজাচ্ছে এবং সমন্বয় করছে বলে জানান তিনি।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.