জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সোমবার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে ১১তম কমিশন সভা শেষে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, লোকাল গভমেন্ট ইলেকশনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে কিনা- সে ব্যাপার কমিশনের নীতিগত সিদ্ধান্ত হচ্ছে ‘না’।
বিভিন্ন সময় ইভিএম নিয়ে যেই প্রশ্ন উঠেছিল যেমন ইভিএম-এ কারচুপি করা যায় সেটি কি আপনারা কোনও তদন্ত করছেন কিনা জানতে চাইলে আখতার আহমেদ বলেন, ইভিএম ব্যবহারের ব্যাপারে বলেছি যে জাতীয় নির্বাচনে এটা ব্যবহার হয়নি এবং স্থানীয় সরকারের নির্বাচন নিয়ে আমাদের এখনও পর্যন্ত নীতিগত সিদ্ধান্ত হচ্ছে ‘না’। এখানে দুর্নীতি দমন কমিশন একটা বিষয়ে তদন্ত করছে। অডিট ডিপার্টমেন্টে থেকে একটা করা হয়েছে। আপনারা জানেন যে জাতীয় পর্যায়ের তিনটি নির্বাচন নিয়ে যে পর্যালোচনা চলছে। যে জিনিসগুলো পর্যালোচনার ভেতরে আছে- সে বিষয়ে আমার কথা বলাটা বোধহয় সমীচীন হবে না।
ইভিএম আর কতদিন টানবেন? কোনো টাইমলাইন আছে? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, আপাতত আমার কাছে টাইমলাইন নেই। টাইমলাইন দিতে পারলে তো আমি সবচাইতে খুশিই হতাম। আমি যদি বলতাম আগামী এতদিনের ভেতরে এটা হবে তাহলে তো আমার জন্য সবচাইতে ভালো হতো। এখন আমি অফ দ্য পকেট কিছু বলতে পারবো না। ইভিএম-এর পেছনে আমাদের যে সংরক্ষণ ব্যয় তার অ্যাকাউন্টিংটা করা নেই।
আপনারা কেন ইভিএম ব্যবহার থেকে সরে আসছেন, আপনারা কি মনে করেন যে ইভিএম কোনও ত্রুটি আছে- এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, তিনটি তদন্ত কমিশনের অবজারভেশন আসছে, তারপরে আমরা দেখবো। অতীতেও বলেছি যে, জাতীয় নির্বাচনের সময় যে জিনিসের প্রতি সবার অনাস্থা সেটা নিয়ে কেন আমরা চর্চা করবো।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.