যুক্তরাষ্ট্র থেকে দ্বিতীয় ধাপে ৬২ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন গম নিয়ে এমভি. উবন নারী জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙরে পৌঁছেছে। এর আগে প্রথম শিপমেন্টর মাধ্যমে ৫৮ হাজার ৪৫৭ মেট্রিক টন গম দেশে পৌঁছায়
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
জাহাজে রাখা গমের নমুনা পরীক্ষার কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং গম খালাসের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
জাহাজে রাখা ৬২ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন গমের মধ্যে ৩৭ হাজার ২৯০ মেট্রিক টন গম চট্টগ্রামে এবং অবশিষ্ট ২৪ হাজার ৮৬০ মেট্রিক টন মোংলা বন্দরে খালাস করা হবে। চুক্তির আওতায় আমদানিকৃত সকল গম দেশে পৌঁছেছে।
জি টু জি ১ মোতাবেক ২ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৫ মেট্রিক টন এবং জি টু জি ২ মোতাবেক ২ লাখ ৩০ হাজার ৩৯ মেট্রিক টন গম দেশে এসেছে।
দেশে মোট গমের চাহিদা প্রায় ৭০ লাখ মেট্রিক টন। দেশে উৎপাদন হয় প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন। চাহিদা পূরণের জন্য সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে অবশিষ্ট গম বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে দ্বিতীয় ধাপে ৬২ হাজার টন গম, চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে জাহাজ
যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা দ্বিতীয় চালানে ৬২ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন গম নিয়ে এমভি. উবন নারী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙরে পৌঁছেছে। এর আগে প্রথম চালানে ৫৮ হাজার ৪৫৭ মেট্রিক টন গম দেশে আসে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাহাজে থাকা গমের নমুনা পরীক্ষা কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং দ্রুত খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
এই চালানের গমের মধ্যে ৩৭ হাজার ২৯০ মেট্রিক টন চট্টগ্রাম বন্দরে এবং অবশিষ্ট ২৪ হাজার ৮৬০ মেট্রিক টন মোংলা বন্দরে খালাস করা হবে। চুক্তির আওতায় আমদানিকৃত সব গম ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছেছে বলেও জানানো হয়েছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জি টু জি-১ চুক্তির আওতায় ২ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৫ মেট্রিক টন এবং জি টু জি-২ চুক্তির আওতায় ২ লাখ ৩০ হাজার ৩৯ মেট্রিক টন গম দেশে এসেছে।
বাংলাদেশে বছরে মোট গমের চাহিদা প্রায় ৭০ লাখ মেট্রিক টন হলেও দেশে উৎপাদন হয় মাত্র প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন। ফলে চাহিদার বড় অংশ মেটাতে সরকার ও বেসরকারি খাতে বিদেশ থেকে গম আমদানি করা হয়ে থাকে।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.