ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক আব্দুল জলিলকে অপসারণ

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ থেকে মো. আব্দুল জলিলকে অপসারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার (১৭ মার্চ) তাকে অপসারণ করা হয়।

২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর তাকে ব্যাংকটির পুনর্গঠিত পর্ষদে সদস্য করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান অপসারণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে কেন অপসারণ করা হয়েছে সে বিষয়ে কিছু বলেননি।

জানা গেছে, সোমবার জলিলকে অপসারণের আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ সদস্যদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন। বৈঠকে ব্যাংকের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষ করে যাওয়ার পর বিকেলে আব্দুল জলিলকে অপসারণ করে অভিজ্ঞ ব্যাংকার এবং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট এস এম আব্দুল হামিদকে নতুন স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

ইসলামী ব্যাংকের ৫ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদের সবাই স্বতন্ত্র পরিচালক। বর্তমানে চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক এম জোবায়দুর রহমান। ৫ আগস্টের পর শুরুতে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান করা হয় রাষ্ট্রীয় মালিকানার সোনালী ও রুপালী ব্যাংকের সাবেক এমডি ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদকে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর তাকে সরিয়ে জোবায়দুর রহমানকে চেয়ারম্যান নিয়োগ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

জানা গেছে, পাঁচ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদে আব্দুল জলিল জামায়াতপন্থী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। কর্মজীবনে সর্বশেষ তিনি আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের ডিএমডি ছিলেন। ইসলামী ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক নিযুক্ত হয়ে শুরুতে তাকে পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছিল।

২০১৭ সাল থেকে চব্বিশের আগস্ট পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংকের কর্তৃত্ব ছিল এস আলম গ্রুপের হাতে। ব্যাংকটি থেকে নামে-বেনামে ৭৫ হাজার কোটি টাকা বের করে নিয়ে পাচারের অভিযোগ রয়েছে গ্রুপটির বিরুদ্ধে।

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.