গুমের মামলায় ব্যারিস্টার আরমানের দ্বিতীয় দিনের জেরা আজ

গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষী ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশেম আরমানের দ্বিতীয় দিনের জেরা আজ।

আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ জেরা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ১৭ জন আসামি রয়েছেন।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল প্যানেলে এ জেরা অনুষ্ঠিত হবে। আজ প্রথমে লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেমসহ সাত আসামির পক্ষে আইনজীবী তাবারক হোসেন ও অন্যান্য আইনজীবীরা জেরা করবেন। পরে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীরা জেরায় অংশ নেবেন।

গত ৮ মার্চ প্রথম দিনের জেরা শেষ হয়। ওইদিন কর্নেল কেএম আজাদের আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো দাবি করেন, ব্যারিস্টার আরমান কোনো আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার হাতে গুম হননি, বরং তিনি আট বছর আত্মগোপনে ছিলেন। পাশাপাশি তিনি আরমানের লেখা ‘আয়নাঘরের সাক্ষী, গুমজীবনের আট বছর’ বইয়ের তথ্যও মিথ্যা বলে মন্তব্য করেন। জেরার জবাবে সাক্ষী এসব দাবি অস্বীকার করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে গুমের শিকার হন ব্যারিস্টার আরমান। গত ২১ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়ে তিনি দীর্ঘ আট বছরের গুমজীবনের ভয়াবহ বর্ণনা তুলে ধরেন। এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ১৭ জন আসামি রয়েছেন।

আজকের শুনানিতে ঢাকা সেনানিবাসের বিশেষ কারাগার থেকে মামলার গ্রেফতার ১০ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। তারা হলেন- র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, র‌্যাবের সাবেক গোয়েন্দা পরিচালক কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.